Main Menu

সিলেটে বাসা দখলের ষড়যন্ত্রে লিপ্ত বাবলির পরিবার, অভিযোগ হুমায়ুন বখতের

Manual4 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: বাসা থেকে উচ্ছেদ ও দখল করতে নানান অপপ্রচার, নির্যাতন ও হয়রানি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ৭নং ওয়ার্ডের পশ্চিম পীর মহল্লা ঐকতান ১২৫নং বাসার অধিবাসী মো. হুমায়ুন বখত।

Manual5 Ad Code

শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুরের দিকে সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত পাল্টা সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেছেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, একই হোল্ডিংয়ের অধিবাসী প্রবাসী ফারুক ইবনে আম্বিয়া আলমগীর ও আব্দুল্লাহ সিদ্দেক আম্বিয়ার বোন ফাতেমা জান্নাত বাবলি গত ১৪ জুলাই সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি ও তার পরিবারের সদস্যদের নামে মানহানীকর বক্তব্য রেখেছেন যা মিথ্যা বানোয়াট ও উদ্দেশ্যে প্রণোদিত। তার পিতার মৃত্যুর দিনেও হুমায়ুন বিভিন্নভাবে তার আত্মীয় স্বজনদের সঙ্গে দুর্ব্যহার ও রাস্তায় আবর্জনা ফেলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির যে বক্তব্য রেখেছেন তাও অস্বীকার করেছেন। তিনি জানান, এ অভিযোগও মিথ্যা বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। কারণ, ওই দিন তিনি তার স্ত্রীকে নিয়ে তাদের বাসায় গিয়ে লাশ দেখেছেন, শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন যা তাদের সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করলেই প্রমাণিত হবে। তিনি জানান, তার পঞ্চম শ্রেণী পডুয়া শিশু কন্যার বিরুদ্ধেও সন্ত্রাসী কাজের অভিযোগ তুলেছেন বাবলি।

এ প্রসঙ্গে তার বক্তব্য, যারা মৃত্যু নিয়ে মিথ্যাচার করতে পারে, তাদের পক্ষে সবকিছুই সম্ভব। তার কোনো শ্যালিকা নেই। অথচ তাদের অভিযোগ, তার শ্যালিকারাও নাকি তাদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও সন্ত্রাসী কাজ করেছেন!

হুমায়ুনের দাবি, তিনি একজন প্রতিবন্ধী মানুষ, অথচ তাদের বাসায় আগুন লাগানোর মতো কাল্পনিক ঘটনায়ও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দিয়েছেন। পুলিশী নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হয়েছেন। আলমগীর আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে জড়িত। ২০২৩ সালে তার বাসার মূল গেইটটি তিনি তার ক্যাডারদের দিয়ে হুমায়ুনের অনুপস্থিতে জোরপূর্বক অপসারণ করেছেন। তার স্ত্রী বাধা দিতে গেলে তাকে হত্যার হুমকি দিয়েছেন। তার ভাই আম্বিয়া ২০২৪ সালে হুমায়ুনের গায়ে হাত তুলেছেন। এমনকি তার বোনপোরা তার বাসায় গিয়ে ভাড়া না দিলে উচ্ছেদেরও হুমকি দিয়েছেন। অথচ বাসাটি তার ক্রয় করা। তার খরিদা ভূমিকে তারা সরকারি রাস্তা বলে অপপ্রচার চালাচ্ছেন, দখলের অপচেষ্টা করছেন। এ ব্যাপারে পীর মহল্লায় অনেক সালিশ বসেছে। তাদের বারবার কাগজপত্র নিয়ে যাওয়ার কথা বলা হলেও তারা তা করেননি। বরং হুমায়ুনের বিরুদ্ধে চাঁদা দাবি, আগুন দেওয়ার মামলা দিয়ে তার পরিবারের সদস্যদের মানসিক নির্যাতন করছেন।

তিনি জানান, বিষয়টি সিলেট মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদীও একাধিকবার সালিশে নিষ্পত্তির চেষ্টা করেছেন। কিন্তু তারা কাগজপত্র নিয়ে উপস্থিত না হওয়ায় তা আর হয়নি। তিনি নিজেকে বিএনপির সমর্থক হিসাবে দাবি করে জানিয়েছেন, কখনোই তিনি এই দলের পরিচয় দিয়ে কোনো সুযোগ সুবিধা নেওয়ার চেষ্টা করেননি। অথচ বাবলি মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে বিএনপি নেতৃবৃন্দকে তার বিরুদ্ধে ক্ষেপিয়ে তোলার অপচেষ্টা করেছেন বলেও অভিযোগ হুমায়ুনের। তিনি জানান, তার খরিদা ভূমিকে বাবলি এবং তাদের পরিবারের লোকজন রাস্তা হিসাবে চালিয়ে দেওয়ার ও ব্যবহার করার অপচেষ্টা করছেন। আর তাই তার নামে মিথ্যা অভিযোগে মামলা, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছেন।

বাবলি ও তার পরিবারের উদ্দেশ্যে তার বক্তব্য পরিস্কার, তাকে উচ্ছেদ করে বাসা দখলের ষড়যন্ত্র না করে নিজের ভূমি ব্যবহার করে সরকারি রাস্তায় যাতায়াত করুন। তিনি নিজের জীবন ও সম্পদ সুরক্ষায় সিলেটের রাজনীবিদ, প্রশাসন ও সচেতন সব মহলের সহযোগীতা চেয়েছেন।

এ ব্যাপারে জানতে ফাতেমা জান্নাত বাবলির মোবাইলে কল দিলেও তিনি তা রিসিভ করেননি।

 

 

 

Manual1 Ad Code

 

 

 

Manual3 Ad Code

 

 

 

Manual6 Ad Code

 

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code