Main Menu

সিলেটে ৩ দফা দাবিতে রিকশা-ভ্যান-ইজিবাইক শ্রমিকদের মানববন্ধন

Manual2 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: বিআরটিএ কর্তৃক ব্যাটারিচালিত যানবাহনের লাইসেন্স ও ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদানসহ ৩ দফা দাবিতে সিলেট মহানগরীতে এক বিশাল মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৬ জুন) সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের সামনে ‘রিকশা-ভ্যান-ইজিবাইক শ্রমিক ইউনিয়ন, সিলেট জেলা শাখার উদ্যোগে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

Manual7 Ad Code

সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আনিস খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই মানববন্ধন কর্মসূচিটি যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাশরুখ জলিল।

শ্রমিকদের ৩ দফা দাবি হলো, বিআরটিএ কর্তৃক ব্যাটারিচালিত যানবাহনের লাইসেন্স ও চালকদের ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদান করা। ব্যাটারিচালিত যানবাহন চলাচলে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের (স্টেকহোল্ডার) অংশগ্রহণে একটি যৌক্তিক নীতিমালা প্রণয়ন করা। শ্রমিকের ওপর চলমান সকল প্রকার জুলুম, নির্যাতন, হয়রানিসহ জোরপূর্বক বাহন আটক ও ব্যাটারি জব্দ করা অবিলম্বে বন্ধ করা।

মানববন্ধন কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, বর্তমানে ব্যাটারিচালিত যানবাহন সাধারণ মানুষের যাতায়াতের অন্যতম প্রধান মাধ্যমে পরিণত হয়েছে। দেশের প্রায় অর্ধকোটি শ্রমিকের এই খাতটি থেকে সুনির্দিষ্ট নীতিমালার অভাবে প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ রাজস্বের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সরকার। তাই বিআরটিএ-এর মাধ্যমে দ্রুত লাইসেন্স প্রদান এবং অংশীজনদের সাথে আলোচনার ভিত্তিতে একটি স্পষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন করে এই বিশাল শ্রমিক জনগোষ্ঠীর জীবিকার সংকট নিরসন করা অত্যন্ত জরুরি।

মানববন্ধনে ক্ষোভ প্রকাশ করে সংগঠনের উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট আনোয়ার হোসেন সুমন বলেন, সিলেটে গত দুই সপ্তাহ যাবৎ পুলিশের পরিচয় দিয়ে অটোরিকশার ব্যাটারি খুলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। সবচেয়ে আশঙ্কাজনক বিষয় হলো, এই ব্যাটারি জব্দের বিপরীতে চালক বা মালিকদের কোনো ধরনের প্রাতিষ্ঠানিক রিসিট বা ডকুমেন্টস দেওয়া হচ্ছে না।

Manual1 Ad Code

তিনি আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, কোনো প্রমাণ বা ডকুমেন্ট ছাড়া এভাবে ব্যাটারি নিয়ে যাওয়ায় সাধারণ শ্রমিক ও মালিকদের মাঝে চরম বিভ্রান্তি সৃষ্টি হচ্ছে। পুলিশের এই সুযোগ নিয়ে অন্যান্য অপরাধী চক্রও এই চাঁদাবাজি ও লুটপাটে লিপ্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এমনকি অবৈধভাবে জব্দকৃত কিছু কিছু ব্যাটারি বাজারে বিভিন্ন দোকানে বিক্রি করে দেওয়া হচ্ছে বলেও খবর পাওয়া যাচ্ছে।

মানববন্ধনের সমাপনী বক্তব্যে সভাপতি আনিস খান আশা প্রকাশ করে বলেন, জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসন সিলেটের প্রায় ৩০ হাজার অটোরিকশা শ্রমিকের মানবিক দিক বিবেচনা করে অতিদ্রুত এই ৩ দফা দাবি মেনে নেবে এবং তাঁদের জীবিকার সংকট নিরসনে ইতিবাচক উদ্যোগ গ্রহণ করবে।

Manual5 Ad Code

উক্ত মানববন্ধন কর্মসূচিতে অন্যান্যের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন সংগঠনের উপদেষ্টা মোহাম্মদ বুরহান উদ্দিন, রিকশা শ্রমিক নেতা নজির আহমেদ এবং শ্রমিক নেতা তাহের মিয়া। এছাড়া কর্মসূচিতে সংহতি জানিয়ে একাত্মতা প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন চা-শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের অন্যতম সমন্বয়ক মনীষা ওয়াহিদ।

Manual2 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code