Main Menu

মহাকাশে তৈরি বিদ্যুৎ পাঠানো যাবে স্যাটেলাইট ও পৃথিবীতে

Manual6 Ad Code

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক: মহাকাশে সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের প্রযুক্তিতে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছেন চীনা বিজ্ঞানীরা। নতুন এই প্রযুক্তির মাধ্যমে ভবিষ্যতে মহাকাশ থেকে পৃথিবী কিংবা কক্ষপথে থাকা স্যাটেলাইট ও মহাকাশযানে তারবিহীন উপায়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হতে পারে।

Manual1 Ad Code

চীনের শায়ানসি প্রদেশের সিতিয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা ‘সান চেজিং’ বা ‘জুরি’ নামের প্রকল্পের আওতায় পরীক্ষামূলকভাবে একটি তারবিহীন বিদ্যুৎ পরিবহন ব্যবস্থা তৈরি করেছেন। গবেষকদের দাবি, এই ব্যবস্থার মাধ্যমে একই সময়ে একাধিক চলমান লক্ষ্যবস্তুতে সফলভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা গেছে।

সাম্প্রতিক পরীক্ষায় ১০০ মিটার দূরত্বে তারবিহীন বিদ্যুৎ পরিবহনের দক্ষতা ২০ দশমিক ৮ শতাংশে পৌঁছেছে। এ সময় ১ হাজার ১৮০ ওয়াট শক্তি সরবরাহ করা সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছেন গবেষকরা।

এ ছাড়া ড্রোনের জন্যও বিশেষ চার্জিং প্রযুক্তি তৈরি করা হয়েছে। পরীক্ষায় দেখা যায়, ঘণ্টায় ৩০ কিলোমিটার গতিতে উড়তে থাকা একটি ড্রোন ৩০ মিটার দূর থেকে স্থিতিশীলভাবে ১৪৩ ওয়াট শক্তি গ্রহণ করতে সক্ষম হয়েছে।

Manual8 Ad Code

গবেষকদের ভাষ্য, ভবিষ্যতের মহাকাশ সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্র মূলত কক্ষপথে স্থাপিত বিশাল সৌরপ্যানেলের বহর হবে। এসব প্যানেল মহাকাশে সূর্যের আলো সংগ্রহ করে তা মাইক্রোওয়েভ বা লেজার প্রযুক্তির মাধ্যমে পৃথিবী কিংবা স্যাটেলাইটে পাঠাবে।

২০১৮ সালে ‘জুরি’ প্রকল্পের প্রথম ধাপ শুরু হয়। পরে ২০২২ সালের জুনে গবেষক দল মহাকাশ সৌরবিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য বিশ্বের প্রথম পূর্ণাঙ্গ ভূমিভিত্তিক পরীক্ষামূলক যাচাই ব্যবস্থা সম্পন্ন করে। বর্তমানে প্রকল্পটির দ্বিতীয় ধাপে দীর্ঘ দূরত্বে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও পরিবহনের প্রযুক্তি উন্নয়নের কাজ চলছে।

গবেষকদের মতে, সৌরশক্তি সংগ্রহ ও রূপান্তরের দক্ষতা বৃদ্ধি, মাইক্রোওয়েভ বিম নিয়ন্ত্রণের নির্ভুলতা উন্নত করা এবং অ্যান্টেনাকে আরও ছোট ও হালকা করার ক্ষেত্রে ইতোমধ্যে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই প্রযুক্তি সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে ভবিষ্যতে মহাকাশভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদনে নতুন যুগের সূচনা হতে পারে।

সূত্র: সিএমজি

Manual2 Ad Code

 

Manual3 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code