সিলেটে ৬৫ লক্ষ টাকার ভারতীয় শাড়ি ও ওষুধ জব্দ, গ্রেফতার ১
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের গোলাপগঞ্জে বিপুল পরিমাণ চোরাচালানের পণ্যসহ এক যুবককে গ্রেফতার করেছে র্যাব-৯। এ সময় প্রায় ৬৫ লক্ষ টাকা মূল্যের ভারতীয় শাড়ি ও বিভিন্ন ধরনের ওষুধ জব্দ করা হয়।
র্যাব-৯, সিপিএসসি, সিলেটের একটি আভিযানিক দল শনিবার (১৬ মে) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারে যে সীমান্তবর্তী জাফলং এলাকা থেকে একটি নীল রংয়ের পিকআপে করে চোরাচালানের মালামাল সিলেট শহরের দিকে নেওয়া হচ্ছে। এ তথ্যের ভিত্তিতে একই দিন রাত আনুমানিক ৮টা ৩০ মিনিটে গোলাপগঞ্জ থানাধীন শাহপরান সেতু টোল প্লাজা সংলগ্ন বাইপাস এলাকায় চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়।
চেকপোস্টে একটি নীল রংয়ের পিকআপ থামানোর সংকেত দিলে র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে তিনজন ব্যক্তি গাড়ি থেকে নেমে পালানোর চেষ্টা করে। এ সময় একজনকে আটক করা হয় এবং বাকি দুইজন পালিয়ে যায়। আটককৃত ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানান, তার হেফাজতে চোরাচালানের মাধ্যমে আনা ভারতীয় পণ্য রয়েছে।
পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী পিকআপ তল্লাশি করে ১২০৫ পিস ভারতীয় শাড়ি, ৪ লক্ষ পিস সাইপ্রোহেপ্টাডিন ট্যাবলেট ৪ মিগ্রা, ২০৩৮ পিস জাস্ট ডি৩ ড্রপস ৩০ মিলি এবং ৩৬০০ পিস ব্যাসিলাস ক্লসাই স্পোরস সাসপেনশন ৫ মিলি জব্দ করা হয়। উদ্ধারকৃত এসব পণ্যের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৬৫ লক্ষ টাকা।
গ্রেফতারকৃত রিয়াজ উদ্দিন (২৫) সিলেটের কানাইঘাট থানার গোরাকপুর এলাকার মৃত শামছুল হকের ছেলে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানান, পলাতক দুইজনের সঙ্গে যোগসাজশে এসব পণ্য ভারত থেকে অবৈধভাবে এনে বিক্রির উদ্দেশ্যে নিজেদের হেফাজতে রেখেছিলেন।
পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি এবং পলাতক আসামিদের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের পূর্বক তাকে এবং জব্দকৃত মালামাল গোলাপগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন র্যাব-৯-এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কে এম শহিদুল ইসলাম সোহাগ।
Related News
ঢাকা-সিলেট ৬ লেন কাজে ধীরগতি, ৫ বছরে কাজ হয়েছে মাত্র ২১%
Manual8 Ad Code বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: ঢাকার সঙ্গে উত্তর-পূর্বাঞ্চলের দ্রুত, নিরাপদ ও নির্ভরযোগ্য সড়ক যোগাযোগRead More
সিলেট-জকিগঞ্জ সড়কে বাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ১
Manual4 Ad Code বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেট-জকিগঞ্জ সড়কে বিআরটিসি বাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষেRead More



Comments are Closed