Main Menu

মৌলভীবাজারে ডাকাতির মামলায় ১৩ আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

Manual3 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলায় ২১ বছর আগে সংঘটিত হওয়া এক ডাকাতির মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ১৩ আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে ২৫ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড এবং অনাদায়ে এক বছর করে সাজা প্রদানের আদেশ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৫ মে) অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তৃতীয় আদালতের বিচারক শামসাদ বেগম এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় তিন জন আসামি উপস্থিত থাকায় তাদের সাজা পরোয়ানায় জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে এবং বাকি ১০ জন আসামি পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেন দায়িত্বরত মৌলভীবাজার জজ কোর্টের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট নিয়ামুল হক।

Manual3 Ad Code

সাজাপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন– কুলাউড়া উপজেলার কর্মধার ভাতাইয়া গ্রামের মিলন মিয়া, রাহেল, পৃথিমপাশা ইউনিয়নের ঘড়গাঁও গ্রামের দুলাল মিয়া, সেলিম, জুনাব আলী, গনিপুর গ্রামের শাহেদ, দক্ষিণ রাউৎগাঁও গ্রামের সাতির ওরফে সাকিল, নাছিরাবাদ গ্রামের কামাল, বড়লেখা উপজেলার উত্তর বহ্নির মকরম, নকুল ওরফে সুমন, বড়তল গুচ্ছগ্রামের খোকন, সুজানগর গ্রামের জাকারিয়া, গৌড়নগর গ্রামের জামাল।

Manual7 Ad Code

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, কুলাউড়া উপজেলার কর্মধা ইউনিয়নের কর্মধা গ্রামের বাসিন্দা আব্দুস শহীদের ছেলে মারুফ আহমদের বসতঘরে ২০০৫ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি ডাকাতি ও ধর্ষণ সংঘটিত হয়। ওই বছরের ২ মার্চ মারুফ আহমদ বাদী হয়ে কুলাউড়া থানায় ১৪ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন।

Manual1 Ad Code

১৪ জনের মধ্যে মামলার ১৩ নম্বর আসামি বড়লেখা উপজেলার কলাজুরা গ্রামের বাসিন্দা মুকুল হক মারা যান।

এ বিষয়ে মৌলভীবাজার জজ কোর্টের আইনজীবী নিয়ামুল হক বলেন, ‘দীর্ঘ প্রায় ২১ বছর পর মামলার রায় ঘোষণা করা হয়েছে। তবে ধর্ষণ সংক্রান্ত অভিযোগের জন্য আলাদা চার্জশিটের পরিপ্রেক্ষিতে নারী ও শিশু আদালতে আলাদা মামলা চলমান আছে।’

Manual2 Ad Code

তিনি আরও বলেন, ‘এই রায় অবশ্যই একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে কাজ করবে।’

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code