Main Menu

নরসিংদীতে বাবার কাছ থেকে কিশোরীকে তুলে নিয়ে হত্যার অভিযোগ

Manual4 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: নরসিংদীর মাধবদীতে আমেনা আক্তার (১৫) নামে এক কিশোরীকে পিতার কাছ থেকে তোলে নিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারী) সকালে মাধবদী থানার মহিষাশুরা ইউনিয়নের কোতালিরচর দড়িকান্দী এলাকার একটি সরিষা ক্ষেত থেকে গলায় ওড়না পেচানো অবস্থায় ওই কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

Manual7 Ad Code

নিহতের স্বজন ও স্থানীয়রা জানায়, নিহতের পিতা আশরাফ হোসেন বরিশালের বাসিন্দা। কাজের সুবাধে স্ত্রী-কন্যাসহ মাধবদীর বিলপাড় এলাকায় ভাড়ায় বসবাস করতেন। গত ১৫ দিন আগে স্থানীয় বখাটে নূর মোহাম্মদ নূরার নেতৃত্বে ৫/৬ জনের একটি দল এলাকা থেকে মেয়েটিকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করে। বিষয়টি স্থানীয় ভাবে মিমাংসাও করা হয়।

Manual7 Ad Code

বুধবার রাতে বাবা আশরাফ হোসেন তার কাজ শেষ মেয়েকে নিয়ে খালার বাড়িতে রেখে আসতে যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে বড়ইতলা এলাকায় পৌছলে নূরার নেতৃত্বে আরো ৫ জন মিলে তার বাবার কাছ থেকে আমেনাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। পরে পরিরেরর লোকজনসহ বেশ কিছুক্ষণ খোঁজাখুজির পর না পেয়ে বাড়ি ফিরে যায়। সকালে একই এলাকার একটি সরিষা ক্ষেত থেকে গলায় ওড়না পেচানো মরদেহটি দেখতে পায় স্থানীয়রা।

এব্যাপারে নিহত মেয়ের বাবা মোঃ আশরাফ জানান, নূরার নেতৃত্বে ৫/৬ জন লোক আমার সামনে থেকে আমার মেয়েকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে যায়। পরে আমরা অনেক খোঁজাখুঁজি করে রাতে আর পাইনি। সকালে আমরা জানতে পারি আমেনার লাশ ঘটনাস্থলে পড়ে আছে। আমার সন্তানকে যারা হত্যা করেছে আমি তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছি।

মাধবদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন বলেন, প্রাথমিক ভাবে জানতে পেরেছি মেয়েটির সাথে নুরার প্রেমের সম্পর্ক ছিলো। এটি মেয়েটির পরিবার মেনে নেয়নি। গতকাল বুধবার তাকে বাবার কাছ থেকে নুরা তোলে নিয়ে গেছিলো বলে জেনেছি। পরে সকালে মরদেহ পাওয়া যায়। এখন পর্যন্ত কোন লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অপরাধীদের খুঁজে বের করতে কাজ করছে পুলিশ। ইতিমধ্যে সন্দেহভাজন হিসেবে একজনকে আটক করা হয়েছে। আর ধর্ষণের বিষয়টি তদন্তের পর বিস্তারিত বলা যাবে।

Manual5 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code