Main Menu

নতুন শিক্ষা আইনের খসড়া প্রকাশ

Manual4 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: যুগোপযোগী শিক্ষাব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নতুন শিক্ষা আইনের খসড়া প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। খসড়ায় বলা হয়েছে, আইন কার্যকর হওয়ার তিন থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে কোচিং সেন্টার স্থাপন, সহায়ক বই (নোট ও গাইড) প্রকাশ এবং প্রাইভেট টিউশন কার্যক্রম স্থায়ীভাবে বন্ধ করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

এ লক্ষ্যে একটি বিধিমালা প্রণয়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বিধিমালার খসড়া জনমত গ্রহণের জন্য অনলাইনে প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

Manual1 Ad Code

সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ থেকে প্রকাশিত শিক্ষা আইন, ২০২৬-এর খসড়াতে কোচিং সেন্টার, সহায়ক পুস্তক (নোট ও গাইড), এবং প্রাইভেট টিউশন নিয়ন্ত্রণে পৃথক বিধিমালা প্রণয়নের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

খসড়ায় বলা হয়, প্রস্তাবিত বিধিমালার মাধ্যমে প্রথমে এসব কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ করা হবে এবং পর্যায়ক্রমে নিরুৎসাহিত করা হবে। এরপর আইনটি কার্যকর হওয়ার তিন থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে কোচিং সেন্টার স্থাপন, নোট-গাইড প্রকাশ ও প্রাইভেট টিউশন কার্যক্রম স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হবে।

Manual3 Ad Code

শিক্ষা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কোচিং ও নোট-গাইড নির্ভরতা শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ও মৌলিক শেখার সক্ষমতাকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। পাঠ্যবইয়ের পরিবর্তে নোট ও গাইডের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরতার ফলে শিক্ষার্থীরা মুখস্থবিদ্যায় অভ্যস্ত হয়ে পড়ছে, যা দীর্ঘমেয়াদে শিক্ষার মানকে দুর্বল করছে।

তারা আরও বলেন, কোচিং ও প্রাইভেট টিউশনের সুবিধা আর্থিকভাবে সচ্ছল শিক্ষার্থীরা পেলেও দরিদ্র ও প্রান্তিক শিক্ষার্থীরা পিছিয়ে পড়ছে। এতে শিক্ষায় বৈষম্য আরও বাড়ছে।

Manual4 Ad Code

নাম প্রকাশ না করার শর্তে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, শ্রেণিকক্ষভিত্তিক শিক্ষাব্যবস্থাকে শক্তিশালী করাই সরকারের মূল লক্ষ্য। এজন্য দক্ষ শিক্ষক নিয়োগ, পাঠ্যবইভিত্তিক মূল্যায়ন পদ্ধতি জোরদার এবং বিদ্যালয়ে মানসম্মত পাঠদান নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, এসব লক্ষ্য বাস্তবায়নে কোচিং সেন্টার, নোট-গাইড ও প্রাইভেট টিউশন বন্ধ করা প্রয়োজন। শিক্ষা আইনের খসড়ায় এ বিষয়গুলো স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে অভিভাবক ঐক্য ফোরাম বাংলাদেশের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. জিয়াউল কবির দুলু বলেন, `শাস্তির বিধান ছাড়া শিক্ষা আইন প্রণয়ন অর্থহীন ও হাস্যকর। মাত্র এক সপ্তাহ মেয়াদি সরকারের পক্ষ থেকে শিক্ষা আইন প্রণয়নের উদ্যোগ লোক দেখানো ছাড়া কিছু নয়।’

Manual8 Ad Code

তিনি আরও বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকার গত ১৬ বছরে এক মন্ত্রণালয় থেকে আরেক মন্ত্রণালয়ে খসড়া আইন পাঠিয়ে সময়ক্ষেপণ করেছে। এখন বর্তমান সরকারও একই পথে হাঁটছে এবং শিক্ষা আইন প্রণয়নের নামে সরকারি অর্থ অপচয়ের চেষ্টা করছে।

এই পরিকল্পনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে তিনি দ্রুত এ কার্যক্রম বন্ধের দাবি জানান।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code