Main Menu

পাকিস্থানে দুই ব্যাংক লুট ও পুলিশ স্টেশনে হামলা, নিহত ১২

Manual8 Ad Code

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ বেলুচিস্তানে দুটি ব্যাংক লুট ও এক পুলিশ স্টেশনে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনা ঘিরে নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে অন্তত ১২ জন নিহত হয়েছেন।

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বেলুচিস্তানের খারান শহরে এ ঘটনা ঘটে।

Manual7 Ad Code

পাকিস্তান সেনাবাহিনীর গণমাধ্যম শাখা আইএসপিআর বিবৃতিতে জানায়, ভারতের মদদপুষ্ট ‘ফিতনা আল-হিন্দুস্তান’-এর সঙ্গে যুক্ত ১৫ থেকে ২০ জন সন্ত্রাসী খারান শহরে একযোগে তিন স্পটে হামলা চালায়। তাদের লক্ষ্য ছিল খারান সিটি পুলিশ স্টেশন, ন্যাশনাল ব্যাংক অব পাকিস্তান এবং হাবিব ব্যাংক লিমিটেড। হামলার সময় সন্ত্রাসীরা ব্যাংক দুটি থেকে প্রায় ৩৪ লাখ রুপি লুট করে। তারা পুলিশ স্টেশনে হামলা চালিয়ে জিম্মি ছিনিয়ে নেওয়ারও চেষ্টা চালায়। তবে, নিরাপত্তা বাহিনীর দ্রুত ও কার্যকর অভিযানে সেই পরিকল্পনা ব্যর্থ হয়।

Manual7 Ad Code

আইএসপিআর জানায়, খারান ও আশপাশের এলাকায় ক্লিন-আপ বা মপ-আপ অভিযান চলছে চলমান রয়েছে। জাতীয় কর্মপরিকল্পনা (ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যান) এবং ফেডারেল সরকারের অনুমোদিত ‘আজম-ই-ইস্তেহকাম’ ভিশনের আওতায় বিদেশি মদদপুষ্ট সন্ত্রাসবাদ নির্মূল না হওয়া পর্যন্ত এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

Manual7 Ad Code

পাকিস্তান সরকার বেলুচ সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে মূলত আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ফিতনা আল-হিন্দুস্তান’ হিসেবে চিহ্নিত করে থাকে। ইসলামাবাদের অভিযোগ, ভারত একটি বিস্তৃত হাইব্রিড যুদ্ধ কৌশলের অংশ হিসেবে বিশেষ করে বেলুচিস্তানকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে।

বেলুচিস্তানের মুখ্যমন্ত্রী মীর সরফরাজ বুগতি নিরাপত্তা বাহিনীর দ্রুত পদক্ষেপের প্রশংসা করেন। তিনি জানান, অভিযানে একজন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন এবং তাকে কম্বাইন্ড মিলিটারি হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী, তিনটি স্থানে প্রাথমিক সংঘর্ষেই চার সন্ত্রাসী নিহত হয়, পরে অন্যদেরও বিভিন্ন অভিযানে নিষ্ক্রিয় করা হয়।

Manual3 Ad Code

তিনি জানান, সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো দেখাচ্ছে যে সন্ত্রাসীরা আদর্শিক তৎপরতার পাশাপাশি এখন সংগঠিত অপরাধ যেমন- ব্যাংক ডাকাতির দিকে ঝুঁকছে। তিনি বলেন, ‘ওরা রাস্তায় নামলে পরাজিত হবে, আর লুকিয়ে থাকলে গোয়েন্দাভিত্তিক অভিযানে খুঁজে বের করা হবে।’

মুখ্যমন্ত্রী বুগতি বেলুচিস্তানের দুর্গম এলাকায় ডিজিটাল অবকাঠামো নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। সাঙ্গানের মতো কম জনবসতিপূর্ণ এলাকায় মোবাইল ইন্টারনেট টাওয়ার স্থাপনকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, নিয়ন্ত্রণহীন ৪জি নেটওয়ার্ক নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করতে পারে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে শত্রুপক্ষের অপব্যবহারের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে।

একইসঙ্গে তিনি ৩০০ কোটি রুপির একটি প্রাদেশিক প্রকল্পের ঘোষণা দিয়েছেন, যার আওতায় বেলুচিস্তানজুড়ে ফাইবার অপটিক নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ করা হবে। এই প্রকল্পের মাধ্যমে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও হাসপাতালগুলোকে সংযুক্ত করা হবে, পাশাপাশি অপব্যবহার রোধে নজরদারিও বজায় রাখা হবে।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code