দিরাইয়ে যুবক হত্যার প্রতিবাদে আসামি গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায় বিষ প্রয়োগে জয় মহাপাত্র নামের এক যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় অভিযুক্ত আমিরুল ইসলামের গ্রেপ্তার ও সর্বোচ্চ শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও নিহতের স্বজনেরা।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) বিকেলে দিরাই থানা পয়েন্টে আয়োজিত এই মানববন্ধনে এলাকাবাসীর পাশাপাশি নিহতের পরিবারের সদস্যরা অংশ নেন। মনিন্দ্র মহাপাত্রের সভাপতিত্বে এবং রনি দাসের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত কর্মসূচিতে বক্তব্য দেন স্থানীয় ইউপি সদস্য বাবুল চন্দ্র দাস, সাবেক ইউপি সদস্য শেখ ফরিদ, নিজাম উদ্দিন, মিন্টু মজুমদার ও হরিবল সরকারসহ আরও অনেকে।
বক্তারা জয় মহাপাত্রের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে বলেন, এটি কোনো দুর্ঘটনা নয়, বরং পূর্বপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। তাঁদের অভিযোগ, অভিযুক্ত আমিরুল ইসলাম কৌশলে বিষ প্রয়োগ করে জয়কে হত্যা করেছেন। তাঁরা বলেন, জয় ছিলেন একজন নিরীহ যুবক। এমন নৃশংস ঘটনা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। দ্রুত আসামিকে গ্রেপ্তার করা না হলে আরও কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন বক্তারা।
মানববন্ধনে নিহতের বাবা লিটন মহাপাত্র আবেগঘন কণ্ঠে বলেন, তাঁর একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে পরিবারটি চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়েছে। তিনি এই হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু বিচার এবং অভিযুক্ত আমিরুল ইসলামের সর্বোচ্চ শাস্তি হিসেবে ফাঁসির দাবি জানান। পাশাপাশি দ্রুত আসামিকে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান তিনি।
উল্লেখ্য, গেল ১৫ জানুয়ারী বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দিরাই উপজেলার বোরহানপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগ রয়েছে, মোবাইল ফোন বিক্রির বকেয়া ৫৫০ টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে বোরহানপুর গ্রামের মদরিচ মিয়ার ছেলে আমিরুল ইসলাম জয় মহাপাত্রকে আটক করেন। পরে তাঁকে মারধর ও মানসিকভাবে অপমান করার পাশাপাশি বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে আমিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।
Related News
জগন্নাথপুরে নদী থেকে নারীর লাশ উদ্ধার
Manual8 Ad Code বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর পৌরশহরের সুইট গেইট সংলগ্ন নলজুর নদী থেকেRead More
সুনামগঞ্জে কিশোরীকে অপহরণ ও ধর্ষণ, প্রধান আসামি গ্রেপ্তার
Manual5 Ad Code বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সুনামগঞ্জের একটি কিশোরী অপহরণ ও ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামিকেRead More



Comments are Closed