Main Menu

প্রেমিকের সাথে দেখা করতে ভোলায় গিয়ে ধর্ষণের শিকার সুনামগঞ্জের কিশোরী

Manual1 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সুনামগঞ্জের ১৬ বছর বয়সী এক কিশোরীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে ভোলা জেলার মনপুরা উপজেলার যুবক রাসেলের। তিনদিন আগে মনপুরা পৌঁছেন ওই কিশোরী। সেখানে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয় ওই কিশোরী।

বৃহস্পতিবার (১৫ জানুয়ারি) মনপুরার উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নে এই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কিশোরী মনপুরায় যাওয়ার পরপরই বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্র তাদের বিয়ের কথা বলে তাদেরকে জিম্মি করে। ওই চক্রটি তাদের কাছ থেকে ২ লাখ টাকা মুক্তিপণও দাবি করে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

Manual2 Ad Code

জানা যায়, উত্তর সাকুচিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ও চট্টগ্রামের কার্টন ফ্যাক্টরির শ্রমিক মো. সজীবের সঙ্গে সুনামগঞ্জের ওই তরুণীর প্রেমের সম্পর্ক ছিল। মেয়েটি গত বুধবার দেখা করতে আসে। ওঠে ছেলেটির দাদির বাড়িতে। বিয়ে না হওয়ায় স্থানীয়দের ভয়ে পরদিন পাশের তালতলা গ্রামের চাচা আলাউদ্দিনের বাড়িতে আশ্রয় নেয় তারা। এলাকাবাসী সালিশের মাধ্যমে দুজনকে ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ইদ্রিস মাঝির জিম্মায় দেয়। সেখান থেকে মাকসুদ, আলামিন ও শাহিন নামের তিনজন তাদের ঢাকার লঞ্চে তুলে দেওয়ার কথা বলে বৃহস্পতিবার রাত ১০টায় নিয়ে যায়। পথে ৭ নম্বর ওয়ার্ডের নতুন বেড়ি এলাকায় পৌঁছলে সজীবকে মারধর করে আটকে রাখে। কিছুদূর নিয়ে তরুণীকে ধর্ষণ করে। এদিকে সজীব কৌশলে ছাড়া পেয়ে পাশের এলাকার ভুট্টো মাঝির বাড়িতে এসে সহযোগিতা চায়।

ভুট্টো মাঝি জানান, রাত ১২টায় ছেলেটা এসে ডাকাডাকি করে। তিনিসহ এলাকার লোকজন গিয়ে নতুন বেড়ি এলাকায় মেয়েটিকে খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে ফেরত আসেন। রাত সাড়ে ১২টায় মোটরসাইকেল চালক শাহিন তরুণীসহ সজীবকে নিতে তার বাড়িতে আসে। ওই সময় ভুট্টো মাঝিসহ অন্যরা মোটরসাইকেল চালকের কাছ থেকে তরুণীকে রেখে দেন। চক্রের কাছ থেকে মুক্তি পেয়ে ওই তরুণী ধর্ষণের কথা উপস্থিত সবাইকে জানান। এদিকে খবর পেয়ে সকালে পুলিশ তাদের উদ্ধার করে।

Manual4 Ad Code

মো. সজীব ওরফে রাসেল জানান, রাতে আল-আমিন, মাকসুদ ও ইদ্রিস নামের তিন ব্যক্তি তাদের লঞ্চঘাটে পৌঁছে দেওয়ার কথা বলে নিয়ে যায়। কিন্তু তাদের নিয়ে যাওয়া হয় নির্জন বেড়িবাঁধে। সেখানে সজীবকে মারধর করে আটকে রেখে কিশোরীর ওপর পাশবিক নির্যাতন ও সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয়।

Manual2 Ad Code

এরপর তাকে রক্তাক্ত ও অচেতন অবস্থায় বেড়িবাঁধে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করেন।

মনপুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদ আল ফরিদ ভূঁইয়া জানান, শুক্রবার সকাল ১০টায় দুজনকে উদ্ধার করে থানায় এনেছেন। মেয়েটি পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। এ ঘটনায় একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে। মেয়েটির মেডিকেল পরীক্ষাসহ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযুক্তদের ধরতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।

Manual6 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code