Main Menu

গেজেট বাস্তবায়ন না হলে ১৪ জানুয়ারি কর্মবিরতি পালনের আহবান

Manual2 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: আগামী ১৪ জানুয়ারি বুধবার দেশব্যাপী হোটেল রেস্টুরেন্ট সেক্টরে কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছে হোটেল রেস্তোরাঁ সেক্টরে সরকার ঘোষিত নিম্নতম মজুরি ও শ্রম আইন বাস্তবায়ন সংগ্রাম পরিষদ।

Manual1 Ad Code

কর্মবিরতির কর্মসূচীর অংশ হিসেবে ধারাবাহিক কর্মসূচীর অংশ হিসেবে ৪ জানুয়ারি দেশব্যাপী বিক্ষোভ মিছিল সমাবেশের আহবান করে কেন্দ্রীয় কমিটি।

কেন্দ্র ঘোষিত কর্মসূচীর অংশ হিসেবে বিকেল সাড়ে ৪টায় সিলেট নগরীর ক্বীণ ব্রীজের দক্ষিণ পাড়ে জমায়েত হয়ে বিক্ষোভ লাল পতাকা মিছিল এবং পরবর্তী সমাবেশ করে সিলেট জেলা কমিটি।

Manual8 Ad Code

সিলেট জেলা সংগ্রাম পরিষদের অন্যতম নেতা শাহীন আহমদের সভাপতিত্বে এবং সিলেট জেলা সংগ্রাম পরিষদের আহবায়ক আনছার আলী’র পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন সিলেট বিভাগীয় কমিটির আহবায়ক মো. ছাদেক মিয়া, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন সিলেট জেলা কমিটির যুগ্ন সম্পাদক রমজান আলী পটু, শাহপরান থানা কমিটির সহ সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সালাম, জাতীয় ছাত্রদল সিলেট জেলা কমিটির আহবায়ক শুভ আজাদ শান্ত, সুনামগঞ্জ জেলা হোটেল রেস্টুরেন্ট মিষ্টি বেকারী শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক টিটু দাস, সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের উপদেষ্টা আনু মিয়া, কোষাধ্যক্ষ মহিদুল ইসলাম, সংগ্রাম কমিটির নেতা সোহেল আহমদ জিল্লুল, মো. রিপন মিয়া, রাশেদ আহমদ ভূইয়া, সাহাব উদ্দিন, জয়নাল মিয়া, রফিকুল ইসলাম রবিন।

সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেন গত বছরের ৫ মে হোটেল ও রেস্তোরাঁ সেক্টরে সরকার ঘোষিত নিন্মতম মজুরির চূড়ান্ত গেজেট ঘোষণা করা হয়। আইন অনুযায়ী যে মাসে গেজেট ঘোষণা হয়, সেই মাস থেকেই ঘোষিত মজুরি কার্যকর করার কথা। অথচ গেজেট প্রকাশের ৮ মাস অতিবাহিত হতে চললেও এখনও পর্যন্ত অধিকাংশ হোটেল ও রেস্তোরাঁ প্রতিষ্ঠানসমূহে ঘোষিত গেজেট বাস্তবায়ন করা হচ্ছে না। সরকার ঘোষিত গেজেট অনুযায়ী মজুরি পরিশোধ করা না হলে শ্রম অধ্যাদেশ-২০২৫ এর ২৮৯-ধারা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট মালিককে ১ বছর পর্যন্ত কারাদন্ড এবং ২০ হাজার হতে ৫০ হাজার টাকা জরিমানাসহ গেজেট অনুযায়ী শ্রমিকের সকল বকেয়া পাওনা পরিশোধ করার কথা বলা হয়েছে। সে মোতাবেক সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তর কার্যকর কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না। বাংলাদেশ হোটেল রেস্টুরেন্ট সুইটমিট শ্রমিক ফেডারেশনের ধারাবাহিকতায় সিলেট জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের পক্ষ থেকে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরসমূহে নিন্মতম মজুরির গেজেট বাস্তবায়নের দাবিতে মিছির-সমাবেশ/স্মারকলিপি প্রদান করা হলেও সরকার ও মালিক-কোন পক্ষ থেকেই কার্যকর কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি। হোটেল-রেস্তোরাঁ সেক্টরে ক্রিয়াশীল সংগঠনসমূহ নিয়ে হোটেল-রেস্তোরাঁ সেক্টরে সরকার ঘোষিত নিন্মতম মজুরি ও শ্রম আইন বাস্তবায়ন সংগ্রাম পরিষদ গঠন করা হয়।

সংগ্রাম পরিষদ ধারাবাহিকভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের শ্রমিকদের সাথে মতবিনিময় করে অনতিবিলম্বে সরকার ঘোষিত নিন্মতম মজুরি এবং নিয়োগপত্র-পরিচয়পত্র প্রদান, ৮ ঘন্টা শ্রমদিবসসহ শ্রমআইনের প্রাপ্য সুযোগ সুবিধা কার্যকর করা না হলে আগামী ১৪ জানুয়ারী সারাদেশে হোটেল রেস্তোরাঁ সেক্টরে কর্মবিরতি ঘোষণা করেছে।

Manual3 Ad Code

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন সিলেট পর্যটক খ্যাত অঞ্চল। প্রতি বছর আন্তর্জাতিক শ্রমিক সংহতি দিবস ‘মহান মে দিবস’ আসলে মালিক ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে পর্যটক’দের কথা বিবেচনা করে হোটেল-রেস্তোরাঁ খোলা রাখার অনুরোধ করলেও আগামী ১৪ জানুয়ারি সংগ্রাম পরিষদের আহবানে সারাদেশব্যাপী কর্মবিরতির ঘোষণা দেওয়া হলেও গেজেট বাস্তবায়নের প্রেক্ষিতে মালিক ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছেনা। সরকার ঘোষিত নি¤œতম মজুরির গেজেট অবিলম্বে বাস্তবায়ন, নিয়োগপত্র-পরিচয়পত্র প্রদানসহ ৮ ঘন্টা শ্রমদিবস কার্যকর করার প্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা না হলে সংগ্রাম পরিষদের ঘোষিত কর্মবিরতি পালন করা ছাড়া শ্রমিকদের কাছে আর বিকল্প করণীয় থাকবে না বলে বক্তারা বলেন।

সমাবেশ থেকে আগামী ৭ জানুয়ারি বুধবার বিকেল ৪টায় জালালাবাদ পার্কের সামনে জমায়েত হয়ে আরেকটি বিক্ষোভ মিছিল সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। এতে সকল হোটেল শ্রমিকদের উপস্থিত থেকে কর্মসূচী সফল করে তোলার জন্য উদাত্ত আহবান জানান।

Manual7 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code