Main Menu

এনসিপি নেত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

Manual5 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: রাজধানীর হাজারীবাগে নারী হোস্টেল থেকে ধানমণ্ডি শাখার এনসিপির নারী নেত্রী জান্নাত আরা রুমীর (৩২) ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) জিগাতলা জান্নাত নারী হোস্টেলে পঞ্চম তলা ভবনের পঞ্চম তলার রুম থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে হাজারীবাগ থানার উপপরিদর্শক এসআই মো. কামরুজ্জামান জানান, সকালে সংবাদ পেয়ে আমরা জিগাতলা জান্নাত নারী হোস্টেলে পঞ্চম তলা ভবনের পঞ্চম তলা রুমে তার ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পাই। পরে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

আইনি প্রক্রিয়া শেষে মর্গে পাঠানো হবে। তার বাবার নাম মো. জাকির হোসেন।

Manual7 Ad Code

তিনি বলেন, ‘যতটুকু শুনেছি মৃতা জান্নাত আরা এনসিপির ধানমণ্ডি শাখার নারী নেত্রী।’

হাজারীবাগ থানার ওসি (অপারেশন) দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে আত্মহত্যা বলেই মনে হচ্ছে।

তদন্তসাপেক্ষে আসল ঘটনা বের হবে। লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠানো হচ্ছে।’

Manual6 Ad Code

জানা গেছে, শেখ হাসিনার ফাঁসির রায়ের দিন দুপুরে ধানমন্ডিতে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার অভিযোগে এক নারীকে মারধরের ঘটনায় রুমীর নাম আলোচনায় আসে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে শেখ মুজিবুর রহমানের বাড়ির সামনে ‘জয় বাংলা’ বলে স্লোগান দেওয়ায় ওই নারীকে মারধর করা হয়। পরে পুলিশ এসে তাকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। এ ঘটনার পর থেকেই জান্নাত আরা রুমী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে হুমকি ও ধমকির শিকার হচ্ছিলেন বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম সদস্যসচিব তারেক রেজা নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক স্ট্যাটাসে লেখেন, ‘কিভাবে লিখবো বুঝতেছি না। আমার হাত কাঁপতেছে। আপনাদের মনে থাকার কথা, গত মাসে শেখ হাসিনার ফাঁসির রায়ের দিন ধানমন্ডি ৩২-এ ফ্যাসিস্ট ও খুনি আওয়ামীলীগাররা কী সিন ক্রিয়েট করেছিলো। সেখানে একজন জেন-জি নারীকে আপনারা দেখেছিলেন এক আওয়ামীলীগারকে (যে জিয়ার কবর খুড়তে চাইছিলো) পিটায়ে পুলিশের কাছে ধরায়ে দিতে।’

স্ট্যাটাসে তিনি আরও লেখেন, ‘সেই জেন-জি নারী গত এক মাস ধরে আওয়ামীলীগের ক্রমাগত সাইবার বুলিং, হত্যা ও রেপ থ্রেটে অতিষ্ঠ হয়ে আজ রাতে আত্মহত্যা করেছে। ধানমন্ডির ভাইব্রাদারদের সাথে কথা হলো। তারা গত এক মাসে সাধ্যমতো চেষ্টা করেছে তার পাশে থাকার। কিন্তু সাইবার বুলিং আর ফোনকলে সারাদিন থ্রেট পাওয়ার পরও প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো সাহায্য পাওয়া যায়নি। তবে কারোর কল্পনাতেও ছিলো না, বুলিংয়ের মাত্রা এত তীব্র যে সে আত্মহননের পথ বেছে নেবে।’

Manual7 Ad Code

তারেক রেজা আরও লেখেন, ‘এটাকে আমরা আত্মহত্যা হিসেবে দেখতে রাজি নই। এটা খুন। যারা আমার বোনের জীবনকে তছনছ করে দিয়েছে, তাদের জীবন আমরা শান্তিতে কাটাতে দেবো না। আমার বোনের রক্তের শপথ!’

Manual4 Ad Code

 

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual2 Ad Code