Main Menu

ভূমিকম্পের সতর্কতায় দেশের সব গ্যাস কূপে ড্রিলিং কার্যক্রম বন্ধ

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: ভূমিকম্পের পরিপ্রেক্ষিতে সতর্কতার অংশ হিসেবে সিলেট, চট্টগ্রাম ও নরসিংদী এলাকায় সব গ্যাস কূপে ড্রিলিং কার্যক্রম স্থগিত রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

আজ রোববার (২৩ নভেম্বর) বাংলাদেশ তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ করপোরেশন (পেট্রোবাংলা) থেকে পাঠানো এক নির্দেশনায় এতথ্য জানানো হয়।

বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন (বাপেক্স) জানায়, ২ দিনের মধ্যে ৪টি ভূমিকম্প প্রমাণ করে নরসিংদী জেলার উপরে অবস্থিত ভুস্তরীয় প্লাটিলেট খুবই অস্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে। এই সময়ে ভূমিতে যে কোনো ধরনের সামান্য কম্পনও ওই এলাকার ভূমিকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে।

ফলে সিলেট, ময়মনসিংহ ও চট্টগ্রাম বিভাগের কোন জেলায় যদি বাংলাদেশ পেট্রোলিয়ামে করপোরেশন পরিচালিত কোনো প্রাকৃতিক গ্যাস কূপ খনন কাজ চালু থাকে সেই ড্রিলিং কাজও ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টার জন্য সাময়িক ভাবে বন্ধ ঘোষণা করার জন্য পরামর্শ দেয়া হয়।

একই সঙ্গে নরসিংদী জেলায় সব প্রকার ড্রিলিং কাজ ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টার জন্য সম্পূর্ণ ভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

এর আগে শনিবার (২২ নভেম্বর) সকাল ১০টা ৩৬ মিনিটে সাভার বাইপাইল এলাকায় আরও একবার ভূমিকম্প অনুভূত হয়। রিখটার স্কেলে যার মাত্রা ছিল ৩.৩। উৎপত্তিস্থল ছিল নরসিংদীর পলাশ উপজেলা।

এছাড়া সন্ধ্যা ৬টার দিকে পরপর দু’বার ভূমিকম্প অনুভূত হয়। এর মধ্যে সন্ধ্যা ৬টা ৬ মিনিট ৪ সেকেন্ডে রিখটার স্কেলে ৩ দশমিক ৭ মাত্রার একটি ভূমিকম্প হয়। এর এক সেকেন্ড পর সন্ধ্যা ৬টা ৬ মিনিট ৫ সেকেন্ডে দ্বিতীয়বার ভূমিকম্প হয়। রিখটার স্কেলে এটির মাত্রা ৪ দশমিক ৩। ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল ঢাকার বাড্ডা এলাকা।

এদিকে শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সকালে আঘাত হানা ভূমিকম্পের তীব্রতা ছিল ৫ দশমিক ৭। এতে সারা দেশে ১১ জনের মৃত্যু হয়। ভূমিকম্পটির কেন্দ্রস্থল ছিল নরসিংদীর মাধবদী। সাধারণত ভূমিকম্পের পর ছোট ছোট কম্পন বা আফটারশকের সম্ভাবনা থাকে।

Share





Related News

Comments are Closed