Main Menu

৬৩ শতাংশ কোটা রেখে বিদ্যালয়ে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ, লটারি পদ্ধতি বহাল

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য নতুন নীতিমালা প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ।

বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) জারি করা এ নীতিমালায় আগামী শিক্ষাবর্ষেও ভর্তিতে লটারি পদ্ধতি চালু রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নীতিমালা অনুযায়ী এন্ট্রি (প্রবেশ) শ্রেণিতে এবং আসন শূন্য থাকলে নবম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থী ভর্তি করা যাবে। ‘জাতীয় শিক্ষানীতি ২০১০’ অনুসারে ৬ বছরের বেশি বয়সী শিক্ষার্থীদের ভর্তি নিশ্চিত করতে হবে। তবে কাঙ্ক্ষিত শিক্ষাবর্ষের ১ জানুয়ারি ভর্তিচ্ছুর ন্যূনতম বয়স হতে হবে ৫ বছর এবং ৩১ ডিসেম্বর সর্বোচ্চ ৭ বছর।

ভর্তি কার্যক্রমে ভর্তির তারিখ, আবেদন ফি এবং ডিজিটাল লটারির সময়সূচি নির্ধারণ করবে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ। কেন্দ্রীয়ভাবে ডিজিটাল লটারি পরিচালনা করবে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)।

সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে একজন শিক্ষার্থী সর্বোচ্চ পাঁচটি বিদ্যালয় পছন্দ করতে পারবে। ডাবল শিফট বিদ্যালয়ের উভয় শিফট পছন্দ করলে তা দুটি পছন্দ হিসেবে বিবেচিত হবে।

পছন্দকৃত তালিকা থেকে একটি বিদ্যালয় চূড়ান্তভাবে নিশ্চিত করতে শিক্ষার্থীদের বাধ্যতামূলকভাবে সফটওয়্যারভিত্তিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে।

এবারও ঢাকা মহানগরের ৪৪টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় তিনটি গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে। বিদ্যালয়প্রধানেরা সংলগ্ন সর্বোচ্চ তিনটি থানাকে ‘ক্যাচমেন্ট এরিয়া’ হিসেবে নির্ধারণ করতে পারবেন। এসব এলাকার শিক্ষার্থীদের জন্য মোট আসনের ৪০ শতাংশ সংরক্ষিত থাকবে।

এ ছাড়া মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য ৫ শতাংশ, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য ২ শতাংশ, শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং এর অধীন দপ্তর-সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য মোট ১ শতাংশ কোটা রাখা হয়েছে। যমজ কোটাকে কমিয়ে ২ শতাংশ এবং সহোদর কোটাকে বাড়িয়ে ৩ শতাংশ করা হয়েছে-যা সর্বোচ্চ তিন সন্তান পর্যন্ত প্রযোজ্য হবে।

এছাড়া ষষ্ঠ শ্রেণিতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পঞ্চম শ্রেণি পাস করা শিক্ষার্থীদের জন্য ১০ শতাংশ আসন বরাদ্দ থাকবে।

ঢাকা মহানগরে মাউশির মহাপরিচালকের নেতৃত্বে, জেলা পর্যায়ে জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে এবং উপজেলা পর্যায়ে ইউএনও’র নেতৃত্বে ভর্তি কমিটি গঠন করা হয়েছে।

গত ১০ নভেম্বর মাউশির সভায় ভর্তির সম্ভাব্য সময়সূচি ঠিক করা হয়েছে। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১৯ নভেম্বরের মধ্যে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ, ২১ নভেম্বর থেকে ৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত অনলাইন আবেদন গ্রহণ, এবং ১৪ ডিসেম্বর ডিজিটাল লটারি অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। লটারি শেষে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ১৭ থেকে ২১ ডিসেম্বরের মধ্যে ভর্তি সম্পন্ন করতে হবে।

Share





Related News

Comments are Closed