Main Menu

উচ্চ আদালতে চেম্বার নির্বাচন স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের নির্দেশনা ব্যবসায়ীদের বিজয়

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: উচ্চ আদালত কর্তৃক সিলেট চেম্বার অব কমার্সের নির্বাচন স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের নির্দেশনাকে ব্যবসায়ী সমাজের বিজয় বলে অভিহিত করেছেন সম্মিলিত ব্যবসায়ী পরিষদের নেতারা। আইনগত বাধা না থাকায় পূর্ব নির্ধারিত তফসিল অনুযায়ী ১ নভেম্বর নির্বাচন আয়োজনের উদ্যোগ নিলে তারা একে স্বাগত জানাবেন।

বুধবার (২৯ অক্টোবর) রাতে নগরীর দরগাহ গেইটস্থ একটি অভিজাত হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সম্মিলিত ব্যবসায়ী পরিষদ নেতৃবৃন্দ এমন মন্তব্য করেন।

নেতৃবৃন্দ বলেন, গত ২৬ অক্টোবর বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে এক চিঠিতে সদস্য তালিকা হালনাগাদ করে পুনরায় নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার নির্দেশনা দেওয়া হয়। যার প্রেক্ষিতে চেম্বারের নির্বাচন স্থগিত ঘোষণা করেন সরকার নিযুক্ত প্রশাসক। ফলে, ব্যবসায়ীদের মাঝে তৈরি হয় হতাশা। তারা এই ঘটনা ব্যবসায়ীদের ভোটাধিকার হরণের শামিল বলে আখ্যায়িত করেন।

তারা আরো জানান, সিলেটের ব্যবসায়ীদের আশা আকাংখার প্রতীক হচ্ছে সিলেট চেম্বার। এই প্রতিষ্ঠানে নির্বাচিত প্রতিনিধি না থাকায় ব্যবসায়ীরা বিশাল ক্ষতির সম্মুখীন। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন আমদানিকারকরা। নির্বাচিত পরিষদ থাকলে আমদানি-রপ্তানি বাড়ানো যেত। এতে করে অর্থনীতির চালিকা শক্তি সমৃদ্ধ হতো।

ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ আরো জানান, বাণিজ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক সিলেট চেম্বারের নির্বাচন স্থগিত ঘোষণার বিরুদ্ধে তাদের রিট পিটিশনের প্রেক্ষিতে (নম্বর-১৭৬০৬) বুধবার সকাল ১১টার দিকে স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের নির্দেশ দেন। চেম্বার নির্বাচন নিয়ে তাদের প্রতিপক্ষ শিবিরের রিট পিটিশনের রায় আসে ওইদিন বিকেলে। ওই রায়ে তিন সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা দেয়া হয়।

ব্যবসায়ীরা জানান, রায়ের সার্টিফাইড কপি নিয়ে তারা সিলেটের জেলা প্রশাসকের সাথে যত দ্রুত সম্ভব যোগাযোগ করবেন। আগামী ১ নভেম্বর সিলেট চেম্বারের নির্বাচন আয়োজনের উদ্যোগ নিলে প্রয়োজনে তারা সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা করবেন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সিলেটের সব ব্যবসায়ী সিলেট চেম্বারের নির্বাচন যথাসময়ে চান। নির্বাচন শেষে সব ব্যবসায়ী এক বলে তারা মন্তব্য করেন।

সংবাদ সম্মেলনে সম্মিলিত ব্যবসায়ী পরিষদের সার্বিক পরিস্থিতির ওপর বক্তব্য রাখেন- সম্মিলিত ব্যবসায়ী পরিষদের সভাপতি প্রার্থী ফালাহ উদ্দিন আলী আহমদ। উপস্থিত ছিলেন- সিনিয়র সহ-সভাপতি হুমায়ূন আহমেদ, সহ-সভাপতি প্রার্থী মাসুম ইফতেখার রসুল সিহাব, সাবেক সভাপতি ফয়েজ হাসান ফেরদৌস, সাবেক সহ-সভাপতি আব্দুস সামাদ ও আতিক হোসেন, বিশিষ্ট মুরব্বি ও আব্দুল কাইয়ুম, সাবেক পরিচালক হাফিজুর রহমান, ভোলাগঞ্জ ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি বশির আহমদ, আক্তার চৌধুরী রুবেল, হাসান কবির চৌধুরী, লিবন আহমদ, মনজুর আহমদ, হুসেন আহমদ, মাহবুবুর রহমান চৌধুরী, শাকিল আহমদ, সাজোয়ান আহমদ, কামরুজ্জামান চৌধুরী, মাহদী সালেহীন প্রমুখ।

 

 

 

Share





Related News

Comments are Closed