Main Menu

প্রাথমিকের উপবৃত্তির টাকা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত

Manual8 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির টাকা এখন থেকে অভিভাবকদের পছন্দের মোবাইল ব্যাংকিং (এমএফএস) হিসাবেই পাঠানো হবে। এতদিন এ টাকা শুধু নগদ অ্যাকাউন্টের মাধ্যমেই বিতরণ করা হতো। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর (ডিপিই) নগদের সঙ্গে করা আগের একক চুক্তি বাতিল করে নতুন নির্দেশনা দিয়েছে।

Manual3 Ad Code

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এখন থেকে বিকাশ, নগদ, রকেট, উপায় ও এমক্যাশসহ সব এমএফএস প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে উপবৃত্তির টাকা বিতরণ করা হবে। ফলে এবার থেকে এই খাতে সব মোবাইল ব্যাংকিং সেবার মধ্যে সমান সুযোগ নিশ্চিত হলো।

গত ২৯ সেপ্টেম্বর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে জারি করা এক চিঠিতে বলা হয়, ‘ডাক অধিদপ্তর ও নগদ লিমিটেডের সঙ্গে সম্পাদিত ত্রিপক্ষীয় চুক্তি বাতিল করা হলো।’

চিঠিতে আরও বলা হয়, ‘অর্থ বিভাগের নির্দেশনার সঙ্গে সামঞ্জস্য না থাকা এবং নগদ লিমিটেডের চুক্তির সব শর্ত যথাযথভাবে পালন করতে ব্যর্থ হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’

Manual2 Ad Code

এরপর উপবৃত্তি বিতরণে নতুন ব্যবস্থাপনা নির্ধারণে গত ১২ অক্টোবর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একটি সভা হয়। সেখানে মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ও ১৩টি এমএফএস প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি অংশ নেন।

সভার সিদ্ধান্ত অনুসারে, ২৬ অক্টোবর থেকে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর দেশের সব মোবাইল ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে উপবৃত্তি বিতরণের নির্দেশ দেয়। এখন থেকে উপবৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অভিভাবকরা নিজেদের পছন্দের এমএফএস অ্যাকাউন্টে অর্থ গ্রহণ করতে পারবেন।

Manual2 Ad Code

চিঠিতে আরও বলা হয়, সুবিধাভোগী অভিভাবকদের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ব্যবহার করে নিবন্ধিত সিম ও এমএফএস হিসাব নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে নতুন এই সিদ্ধান্ত শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের জানাতে প্রচার কার্যক্রম চালানোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

সরকার দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলো থেকে শিক্ষার্থী ঝরে পড়া রোধ ও শিক্ষার প্রতি আগ্রহ ধরে রাখতে উপবৃত্তি প্রদান করে আসছে। বিগত সরকারের সময়ে উপবৃত্তি বিতরণ এককভাবে নগদের মাধ্যমে বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল।

তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক পরিদর্শনে দেখা যায়, নগদ লিমিটেডের মাধ্যমে বিতরণে বড় ধরনের অনিয়ম ও স্বচ্ছতার ঘাটতি ছিল। জুলাই মাসের অভ্যুত্থানের পর বিগত সরকারের পতনের সঙ্গে সঙ্গে নগদের উদ্যোক্তারা আত্মগোপনে চলে যান। পরে প্রতিষ্ঠানটির তত্ত্বাবধানের দায়িত্ব নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক।

এর পর থেকে সরকারি অর্থ বিতরণে স্বচ্ছতা ও প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করতে নতুন এই সিদ্ধান্ত নেয় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

Manual2 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code