সিলেটে পাথর লুটের ঘটনায় মামলা, ২ হাজার আসামীর সবাই অজ্ঞাত
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার ভোলাগঞ্জে পাথর কোয়ারি থেকে অবৈধভাবে পাথর উত্তোলন ও লুটের ঘটনায় মামলা দায়ের করেছে খনিজ সম্পদ উন্নয়ন ব্যুরো (বিএমডি)।
শুক্রবার (১৫ আগস্ট) মহা পরিচালক (যুগ্ম সচিব) আনোয়ারুল হাবিব বাদি হয়ে কোম্পানীগঞ্জ থানায় এই মামলা দায়ের করেন। মামলায় অজ্ঞাত ১৫০০/২০০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উজায়ের আল মাহমুদ আদনান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়- অজ্ঞাতনামা কিছু দুস্কৃতিকারী ব্যক্তিগণ কর্তৃক ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী সময় থেকে সিলেট জেলার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার গেজেভূক্ত পাথর কোয়ারি হতে অবৈধ/অননুমোদিতভাবে সম্প্রতি কোটি কোটি টাকার পাথর লুট করা হয়েছে, মর্মে বিভিন্ন জাতীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।
তথ্য অনুযায়ী পাথর লুটপাটে অজ্ঞাত ১৫০০/২০০০ ব্যক্তি জড়িত বলে ধারণা করা হচ্ছে, যাদের পরিচয় সনাক্ত করা হয়নি। সরকারের গেজেটভুক্ত কোয়ারি হতে লুট/চুরি এ ধরণের কর্মকাণ্ড খনি ও খনিজ সম্পদ (নিয়ন্ত্রণ ও উন্নয়ন) আইন, ১৯৯২ এর ধারা ৪(২) (ঞ) এবং খনি ও খনিজ সম্পদ বিধিমালা ২০১২-এর বিধি ৯৩ (১) এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।
বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টিগোচর হওয়ায় মৌখিক নির্দেশনায় খনি ও খনিজ সম্পদ (নিয়ন্ত্রণ ও উন্নয়ন) আইন, ১৯৯২ এর ৫ ধারা অপরাধে ও দন্ডবিধি ১৮৬০ এর ৩৭৯ নং ধারা এর ৪৩১ ধারায় অভিযোগ দায়ের করা প্রয়োজন। এমতাবস্থায় সরকারি স্বার্থে ভোলাগঞ্জ কোয়ারি থেকে পাথর লুট ও চুরির দায়ে দায়ী অজ্ঞাত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ করা হয়।
সম্প্রতি সিলেটের দুই পর্যটনকেন্দ্র কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সাদা পাথর ও গোয়াইনঘাট উপজেলার জাফলং থেকে পাথর লুটের ঘটনা ঘটে। সারাদেশে তোলপাড় সৃষ্টি করা এ ঘটনায় হাইকোর্ট পাথর উদ্ধার করে যথাস্থানে প্রতিস্থাপন ও লুটেরাদের তালিকা আদালতে দাখিলের নির্দেশ দেন।
এরপর সিলেটসহ সারাদেশে সাঁড়াশি অভিযানে নামে র্যাব পুলিশসহ যৌথ বাহিনী। গত তিনদিনে জাফলং ও সাদা পাথর থেকে লুট হওয়া পাথরের মধ্যে মোট ১ লাখ ৯ হাজার ঘনফুট পাথর উদ্ধার করা হয়েছে। এরমধ্যে আছে নারায়নগঞ্জ থেকে গত বৃহস্পতিবার রাতে উদ্ধার হওয়া ৪০ হাজার মেট্রিক টন পাথর।
সর্বশেষ সিলেট জেলার জৈন্তাপুর থানাধীন আসাম পাড়া এলাকা থেকে বিপুল পরিমান পাথর উদ্ধার করেছে র্যাব। র্যাব-৯ এর টহল টিম, সাদা পোশাকধারী সদস্য এবং সিলেট জেলা প্রশাসনের সহায়তায় একটি যৌথ আভিযানিক দল শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫টায় আসাম পাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে আনুমানিক ৭ হাজার ঘনফুট পাথর উদ্ধার করতে সক্ষম হয়।
Related News
গোলাপগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের অভিষেক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত
গোলাপগঞ্জ সংবাদদাতা: ২০০১ সালে প্রতিষ্ঠিত এবং পেশাদার সাংবাদিকদের সংগঠন সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলা প্রেসক্লাবের অভিষেক অনুষ্ঠানRead More
ঢাকা-সিলেট ছয় লেন মহাসড়ক নির্মান প্রকল্প পরিদর্শনে বানিজ্যমন্ত্রী
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: ঢাকা-সিলেট ছয় লেন মহাসড়ক নির্মান প্রকল্পের ভূমি অধিগ্রহণসংক্রান্ত জটিলতার বড় অংশ আগামিRead More



Comments are Closed