Main Menu

সেন্ট মার্টিন দ্বীপ নিয়ে মহাপরিকল্পনা চূড়ান্তের পথে

Manual7 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা দীপংকর বর জানিয়েছেন, দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্ট মার্টিনের জন্য একটি ব্যাপক মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে। এতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও স্থানীয় বাসিন্দাদের বিকল্প আয় সৃষ্টির ব্যবস্থা করা হচ্ছে। দ্বীপের প্রকৃতি পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে পর্যটন নিয়ন্ত্রণসহ নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

Manual2 Ad Code

গত এক বছরে মন্ত্রণালয় পরিবেশ সুরক্ষা, বন ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ নিয়েছে। এর মধ্যে পলিথিন নিষেধাজ্ঞা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন ও বিকল্প পাটের ব্যাগ সরবরাহ প্রকল্প অন্যতম।

Manual5 Ad Code

এছাড়া বায়ুদূষণ কমাতে ৮৩০টি অবৈধ ইটভাটা ধ্বংস করা হয়েছে এবং ঢাকার সাভার ও আশুলিয়াকে দূষিত এলাকা হিসেবে ঘোষণা প্রক্রিয়া চলছে। অবৈধ সীসা কারখানা বন্ধ করা হয়েছে, শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে তরুণদের সম্পৃক্ত করা হয়েছে। গাজীপুরের একাধিক কারখানার নদী দূষণ রোধ করা হয়েছে।

Manual1 Ad Code

পরিবেশ অধিদপ্তরের জন্য নতুন কর্মসূচি অনুমোদন এবং ৩৭টি অফিস ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাহাড় সংরক্ষণের জন্য ১৬ জেলার তথ্য অনলাইন ডাটাবেজে সংযুক্ত ও নিয়মিত নজরদারি চালানো হচ্ছে। জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ড থেকে ৩৫১ কোটি টাকার ৪১টি প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে। ‘বাংলাদেশ ক্লাইমেট ডেভেলপমেন্ট পার্টনারশিপ’ চূড়ান্ত হয়েছে।

বন ও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে ব্যাপক অগ্রগতি হয়েছে। কক্সবাজার ও সোনাদিয়ায় ১০ হাজার ৩২২ একর বন পুনরুদ্ধার করা হয়েছে। পূর্বাচলের ১৪৪ একর এলাকা জীববৈচিত্র্য এলাকা ঘোষণা করা হয়েছে। বেদখল হওয়া ৫ হাজার ৯৩ একর বন পুনরায় বনায়ন করা হয়েছে। ইউক্যালিপটাস ও আকাশমনি গাছের চারা উৎপাদন নিষিদ্ধ করা হয়েছে। মধুপুর শালবন ও চুনতি-শেরপুরের বন পুনরুদ্ধারে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। মানব-হাতি সংঘাত কমাতে ১৫৯টি ‘এলিফ্যান্ট রেসপন্স টিম’ গঠন করা হয়েছে। বিলুপ্তপ্রায় দেশীয় ময়ূর ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জলাভূমি অভয়ারণ্য ঘোষণা ও বন্যপ্রাণী অপরাধ দমনেও কার্যকর অভিযান পরিচালিত হয়েছে।

Manual3 Ad Code

জাতীয় উদ্যান ও ইকোপার্কগুলোতে প্লাস্টিক ব্যবহার ও পিকনিক নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের জন্য আইন আধুনিকীকরণ ও নতুন বিধি-নিষেধ প্রণয়নের কাজ চলছে।

মন্ত্রণালয়ের এসব উদ্যোগ দেশের পরিবেশ ও প্রকৃতি সংরক্ষণে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে এবং জলবায়ু সহনশীল, টেকসই বাংলাদেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code