Main Menu

সিলেটে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র সেনাবাহিনীর যৌথ প্রশিক্ষণ ‘টাইগার লাইটনিং’ সম্পন্ন

Manual3 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের জালালাবাদ সেনানিবাসে সন্ত্রাস দমন, শান্তিরক্ষা, জঙ্গল অপারেশন এবং বিস্ফোরক ব্যবস্থাপনার মতো বিশেষায়িত বিষয়ে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র সেনাবাহিনীর মধ্যে যৌথ সামরিক প্রশিক্ষণ ‘অপারেশন টাইগার লাইটনিং’ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

Manual8 Ad Code

২৩ জুলাই শুরু হওয়া এ মহড়ার আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে বুধবার (৩০ জুলাই) সকালে সিলেটের জালালাবাদ সেনানিবাসে আয়োজিত সমাপনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে।

সেনাবাহিনীর প্যারা-কমান্ডো ইউনিটের ১০০ জন ও ইউএস আর্মির অধীনস্থ নেভাদা ন্যাশনাল গার্ডের ৬৬ জন সদস্য অংশ নেন।

সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ১৭ পদাতিক ডিভিশনের জিওসি মেজর জেনারেল এ এস এম রিদওয়ানুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসন।

Manual5 Ad Code

শুরুতে স্বগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্যারা-কমান্ডো ব্রিগেডের প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইমরুল হাসান।

Manual1 Ad Code

এরপর, অপারেশন টাইগার লাইটস প্রশিক্ষণের তথ্যচিত্র প্রদর্শনী হয়। পরে প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে সনদ বিতরণ করা হয়। সনদ বিতরণ করেন অতিথিরা।

এরপর প্রশিক্ষণের অভিজ্ঞতার কথা জানান, লিড এক্স প্ল্যানারস, ইউএস মেজর উইস্টিসেন ও মেজর মাহমুদুল হাসান।

 

অনুষ্টানে বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত ট্রেসি অ্যান জ্যাকবসন বলেন, ইউএস-বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর যৌথ প্রশিক্ষণ “টাইগার লাইটনিং ‎ বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের পারস্পরিক সহযোগিতার একটি প্রতীক, যা বঙ্গোপসাগর ও ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে নিরাপত্তা, শান্তি ও সমৃদ্ধি প্রতিষ্ঠায় দুই দেশের লক্ষ্যকে ধারণ করে।

‎এই মহড়ার মাধ্যমে মার্কিন সেনারা বিশ্বে শান্তিরক্ষায় অসাধারণ দক্ষতার জন্য খ্যাত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সঙ্গে প্রশিক্ষণের সুযোগ পাচ্ছেন।

‎বাংলাদেশ সবসময় জাতিসংঘে শান্তিরক্ষী বাহিনী প্রেরণে বিশ্বের শীর্ষ ৩ দেশের মধ্যে থাকে এবং মানের দিক থেকে শীর্ষস্থান অধিকার করে, আর এসকল মিশনে আছেন ১৮০০ নারী সেনাসদস্যও।

‎টাইগার লাইটনিং একটি ধারাবাহিক মহড়ার অংশ। বর্তমানে চলছে টাইগার শার্ক যেখানে স্পেশাল ফোর্সের সাথে নৌবাহিনী অংশ নিচ্ছে আর এ বছরের শেষে বিমান বাহিনীর সাথে অনুষ্ঠিত হবে প্যাসিফিক অ্যাঞ্জেল।

‎তিনি আরও বলেন, আমাদের দুই মহান দেশের সম্পর্ক গড়ে ওঠছে বাংলাদেশি থেকে আমেরিকান এক একজন মানুষের মাধ্যমে হাতে হাত ধরে। হৃদয়ে হৃদয় দিয়ে। ‎

অনুষ্ঠানের শেষাংশে অতিথিরা প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত সদস্যদের মাঝে সনদ বিতরণ করেন। এরপর ফটোসেশন এবং অতিথিদের পরিদর্শন বইয়ে স্বাক্ষরের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শেষ হয়।

Manual6 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code