Main Menu

বিকাশ থেকে ২২ হাজার টাকা খোয়ালেন ব্যাংকের জিএম

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেট নগরীতে মোবাইল হারানোর পর বিকাশে থাকা অনেকগুলো টাকাও হারিয়েছেন একজন ব্যাংক কর্মকর্তা। বিষয়টি বিকাশ কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হলেও কোনো সন্তোষজনক সাড়া পাননি তিনি ।

নগরীর তাঁতিপাড়া এলাকার বাসিন্দা মোবাইল হারানো ওই ব্যক্তির নাম এ এস সিরাজুল হক চৌধুরী। তিনি একটি বেসরকারি ব্যাংকের অবসরপ্রাপ্ত জেনারেল ম্যানেজার। মোবাইল হারানোর পর, বিকাশ অ্যাপসে থাকা তার ২২ হাজার টাকাও হাতিয়ে নিয়েছে প্রতারকরা। তিনি অভিযোগ করে বলেন ‘টাকা হারিয়ে যতটা না খারাপ লেগেছে, তার চেয়ে বেশি আহত হয়েছি বিকাশের ব্যবহারে।’

জানা যায়, গত ৯ জুন এ এস সিরাজুল হক চৌধুরী একটি দোকান থেকে রং কিনতে গিয়ে মোবাইলটি হারিয়ে ফেলেন। হারিয়ে যাওয়া ওই মোবাইলের বিকাশ অ্যাপসে ছিলো ২২ হাজার টাকা। তাই টাকাটা যাতে হাতছাড়া না হয়, সেজন্য তড়িঘড়ি করে ওইদিনই বিকাশ অফিসে যোগাযোগ করেন। কিন্তু কোনো সহযোগিতা পাননি বলে অভিযোগ করে তিনি বলেন ‘তারা (বিকাশ) ঈদের ছুটির পরে যোগাযোগ করতে বলেছে। এই ফাঁকে মোবাইলের সাথে টাকাটাও হাতছাড়া হয়ে গেলো।’

প্রতারকরা ৯ জুন বিকেল তিনটা থেকে চারটার মধ্যে সবগুলো টাকা হাতিয়ে নেয়। প্রথমে মোবাইল ০১৮২১১৫৮৯০৮ নম্বর থেকে সেন্ড মানি করে ৫৫০০ টাকা। পরে রহিম ইলেকট্রিক এন্ড গিফট সেন্টার নামে একটি প্রতিষ্ঠানের নামে ৬ হাজার টাকা ক্যাশআউট এবং ০১৯২২৭৫৩৮৮ নম্বরে আরো ১১ হাজার টাকা ক্যাশআউট করা হয়।

এ এস সিরাজুল হক চৌধুরী বলেন, ‘আমি কয়েকবার বিকাশের সাথে যোগাযোগ করেছি। কিন্তু তাদের কথা আমাকে হতাশ করেছে। বিকাশের মতো প্রতিষ্ঠানের সিস্টেম যদি দুর্বল হয়, গ্রাহকরা যদি বিপদে পড়ে সেবা না পায় তাহলে কোথায় আস্থা রাখবে।’ তিনি বলেন, ‘আমি চাই গ্রাহক সেবার মানটা শক্তিশালী করা হোক। আমার মতো আর কেউ যাতে এভাবে প্রতারণার শিকার না হয় ।’

বিষয়টি নিয়ে কথা হলে বিকাশ সিলেটের কাস্টমার কেয়ার ইনচার্জ রেজওয়ান বলেন, ‘কি কথা হয়েছে আমি তো জানি না। আমি না জেনে কিভাবে বক্তব্য দেবো। আর উনি যেভাবে অভিযোগ করেছেন, সেরকম হবার কথা না।’

সিরাজুল হক চৌধুরী মোবাইল হারানোর পরদিন ১০ জুন কতোয়ালী থানায় জিডি (সাধারণ ডায়রি) করেন, যার নম্বর ৭৫৯।

Share





Related News

Comments are Closed