Main Menu

শাবিপ্রবি শিক্ষার্থী নিয়াজের ‘ইরাসমাস মুন্ডাস’ বৃত্তি লাভ

Manual6 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টি টেকনোলজি (এফইটি) বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. ইসমাইল নিয়াজ ইউরোপের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ ‘ইরাসমাস মুন্ডাস’ বৃত্তি লাভ করেছেন।

Manual4 Ad Code

তিনি টিউশন ফি মওকুফসহ ‘Sustainability in Agriculture, Food Production and Food Technology in the Danube Region’ (DAFM) বিষয়ে মাস্টার্স প্রোগ্রামের জন্য নির্বাচিত হয়েছেন।

তাঁর মোবিলিটি ট্র্যাক এখনও চূড়ান্ত হয়নি, তবে এমাসের শেষে অথবা মে মাসের শুরুতে এটি Hungarian University of Agriculture and Life Sciences (MATE) অথবা Czech University of Life Sciences Prague (CZU) হতে পারে বলে জানিয়েছেন তিনি।

Manual2 Ad Code

নিজের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে নিয়াজ বলেন, ‘এই বৃত্তি পাওয়া আমার জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয়। আমার পরিবার ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের সমর্থনই আমাকে এ পর্যন্ত পৌঁছাতে সাহায্য করেছে। আমি এই সুযোগকে যথাযথভাবে কাজে লাগিয়ে নিজের শিক্ষাজীবন এবং গবেষণাকে এগিয়ে নিতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।’

মো. ইসমাইল নিয়াজ মুন্সীগঞ্জ জেলার মুন্সীগঞ্জ উপজেলার গোপালনগর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা মোঃ মনির হোসেন একজন ব্যবসায়ী এবং মা লায়লা আক্তার গৃহিণী। তিন ভাইয়ের মধ্যে তিনি দ্বিতীয়। শিক্ষাজীবনে তিনি প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ডক্টর ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ রেসিডেন্সিয়াল মডেল স্কুল এন্ড কলেজ থেকে এসএসসিতে জিপিএ-৫ এবং সরকারি হরগঙ্গা কলেজ, মুন্সীগঞ্জ থেকে এইচএসসিতে জিপিএ-৪.৬৭ অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি শাবিপ্রবির ফুড ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড টি টেকনোলজি (এফইটি) বিভাগে ভর্তি হন এবং অনার্সে ৩.৭৩ সিজিপিএ নিয়ে ডিপার্টমেন্টে তৃতীয় স্থান অর্জন করেন।

Manual3 Ad Code

উল্লেখ্য, ইরাসমাস মুন্ডাস বৃত্তি ইউরোপের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে মাস্টার্স ও জয়েন্ট মাস্টার্সে পড়াশোনার সুযোগ দিয়ে থাকে। ১৯৮৭ সালে শুরু হওয়া এই প্রোগ্রামটি বিগত কয়েক দশকে শিক্ষার্থী ও গবেষকদের কাছে অন্যতম আকর্ষণীয় ও সম্মানজনক বৃত্তি হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে।

Manual7 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code