Main Menu

মিয়ানমারে ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৭০০

Manual5 Ad Code

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মিয়ানমারে গত শুক্রবার (২৮ মার্চ) দুপুরে আঘাত হানা ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্পটি দেশটির শত বছরের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ। এতে প্রাচীন বৌদ্ধ প্যাগোডা থেকে শুরু করে আধুনিক ভবন পর্যন্ত বিধ্বস্ত হয়েছে।

মিয়ানমারের সামরিক প্রধান মিন অং হ্লাইং মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে জানিয়েছেন, মৃতের সংখ্যা ২,৭১৯ জনে পৌঁছেছে, যা ৩,০০০ ছাড়িয়ে যেতে পারে। এখন পর্যন্ত ৪,৫২১ জন আহত এবং ৪৪১ জন নিখোঁজ রয়েছেন।

Manual6 Ad Code

জাতিসংঘের মানবিক সংস্থা জানিয়েছে, মান্দালয়ে একটি প্রাইমারি স্কুল ধসে ৫০ শিশু ও ২ শিক্ষকের প্রাণহানি ঘটেছে। সংস্থাটি বলছে, সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা মান্দালয়ের মানুষ খাবার, পানি ও আশ্রয়ের জন্য সংগ্রাম করছে। খবর রয়টার্সের।

এদিকে ইন্টারন্যাশনাল রেসকিউ কমিটি জানিয়েছে, অনেকে ভূমিকম্পের পর আতঙ্কে রাস্তায় বা খোলা জায়গায় রাত কাটাচ্ছেন।

মিয়ানমারে ২০২১ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর চলমান গৃহযুদ্ধের কারণে ভূমিকম্পের ঘটনায় ত্রাণ সহায়তা কার্যক্রম আরও কঠিন হয়ে পড়েছে।

অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল বলছে, সামরিক বাহিনী বিদ্রোহী নিয়ন্ত্রিত এলাকায় ত্রাণ প্রবেশে বাধা দিচ্ছে এবং ভূমিকম্পের পরও বিমান হামলা চালানো হয়েছে।

Manual1 Ad Code

সংস্থাটির গবেষক জো ফ্রিম্যানের ভাষায়, ‘মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী দীর্ঘদিন ধরে সহায়তা সরবরাহে বাধা দিচ্ছে। এটি অবিলম্বে বন্ধ করা উচিত’।

অন্যদিকে, মিয়ানমারের পাশাপাশি প্রতিবেশী থাইল্যান্ডেও আঘাত হেনেছে ভূমিকম্প। এতে রাজধানী ব্যাংককের একটি নির্মাণাধীন বহুতল ভবন ধসে পড়ার পর সেখানে এখনো ৭০ জন আটকে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ব্যাংককের উদ্ধারকারী দলের নেতা বিন বুনলুয়েরিত বলেছেন, ‘কোনো অলৌকিক কিছু ঘটলে হয়তো ১-২ জনকে জীবিত পাওয়া যেতে পারে’।

Manual2 Ad Code

থাইল্যান্ডের ডেপুটি গভর্নর তাভিদা কামোলভেজ জানিয়েছেন, ৬টি মানবসদৃশ অবয়ব স্ক্যানারে ধরা পড়লেও কোনো নড়াচড়া বা প্রাণের চিহ্ন নেই।

দেশটিতে এ পর্যন্ত মোট ১৩ জনের মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে। সরকার জানিয়েছে, ভবন ধসের কারণ তদন্ত করা হচ্ছে এবং প্রাথমিকভাবে নিম্নমানের ইস্পাত ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

Manual5 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code