Main Menu

জাফলংয়ে পাথর উত্তোলন বন্ধ ও জুমপাড় বাঁধ রক্ষার দাবীতে বিক্ষোভ

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের গোয়াইনঘাট উপজেলার জাফলংয়ের বহুল আলোচিত জুমপাড়ে গ্রাম প্রতিরক্ষা বেড়িবাঁধ রক্ষায় বিক্ষোভ মিছিল ও পথ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (৭ মার্চ) বাদ জুমা স্থানীয় ছাত্র জনতা ও এলাকাবাসীর উদ্যোগে জাফলং বাজার থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি শুরু হয়ে কান্দুবস্তি সংলগ্ন জুমপাড়ে গ্রাম প্রতিরক্ষা বাঁধে গিয়ে পথ সভায় মিলিত হয়।

পরে আয়োজিত প্রতিবাদ সভায় জাফলং পর্যটন কেন্দ্র ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি মো. হোসেন মিয়ার সভাপতিত্বে ও ছাত্র নেতা নাদিম মাহমুদের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার খায়রুল ইসলাম, স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. ফখরুল ইসলাম, সিলেট জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সোহেল আহমদ, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন সিলেট জেলা শাখার সদস্য আজমল হোসাইন, সিলেট জেলা শ্রমিক অধিকার পরিষদের সদস্য সচিব ফখরুল ইসলাম, কান্দুবস্তি গ্রামের রহিম উদ্দিন প্রমুখ।

সভায় বক্তারা বলেন, জাফলংয়ের বহুল আলোচিত জুমপাড় এ অবস্থিত গ্রাম প্রতিরক্ষা বেড়িবাঁধের দুই পাশে যন্ত্র দানব এক্সেভেটর দিয়ে পাথর উত্তোলন করার ফলে আসন্ন বন্যায় নদীর পানির স্রোতে এই বেরিবাঁধ ভেঙ্গে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

একাধিক গ্রাম রক্ষার এই বাঁধটি বন্যার পানিতে ভেঙ্গে গেলে ক্ষতিগ্রস্ত হবে ১০টির ও অধিক গ্রাম, স্কুল, কলেজ, বাজার, মসজিদ, মাদ্রাসাসহ সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন স্থাপনা। এসময় বক্তারা আরও বলেন, স্থানীয় প্রশাসন পাথর উত্তোলন বন্ধে লোক দেখানো অভিযান পরিচালনা করে যা প্রতিবাদী জনগণের কাছে হাস্যকর মনে হয়। অভিযানিক টিমের সামনে যন্ত্র দানব থাকলেও তারা না দেখার বান করে চলে যায়। স্থানীয় প্রশাসনের ব্যর্থতায় বেরিবাঁধের দুই পাশ থেকে পাথর উত্তোলন করায় গুটি কয়েক জনের সুবিধা হলেও বৃহৎ এলাকাকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। এসব বন্ধ না করলে ছাত্র সমাজ আরও কঠোর কর্মসূচি গ্রহণ করবে।

বিক্ষোভ কর্মসূচি থেকে জাফলং জুমপাড় বাঁধ রক্ষায় চার দফা দাবি পেশ করেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সিলেট জেলা শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক পারভেজ মোশাররফ।

দাবিগুলো হলো, ৭২ ঘন্টার মধ্যে বেড়িবাঁধের চার পাশের বিশাল গর্ত গুলো ভরাট করতে হবে। জাফলংয়ের আবাসিক গ্রাম ও ফসলি জমিকে ক্ষতবিক্ষত করে যে পাথর কোয়ারি করার ধ্বংসযজ্ঞ চলছে তা বন্ধ করতে হবে। জাফলং জুমপাড় বেড়িবাঁধের আশে পাশে কখনো কোন এস্কেবেটার, বোমা মেশিন রাখা যাবে না এবং ৭২ ঘন্টার মধ্যে এসব যন্ত্রপাতি অপসারণ করতে হবে।

 

 

Share





Related News

Comments are Closed