Main Menu

গণতান্ত্রিক-বৈষম্যহীন সমাজ নির্মাণে ঐক্যবদ্ধ হোন: বাম দলসমূহ

Manual4 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: ছাত্র জনতার গণঅভুত্থান পরবর্তী পরিস্থিতি ও করণীয় শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

বাম গণতান্ত্রিক জোট, বাংলাদেশে জাসদ ও ফ্যাসিবাদ বিরোধী বাম মোর্চার উদ্যোগে শুক্রবার (৪ অক্টোবর) বিকাল ৫টায় নগরীর আলপাইন রেস্টুরেন্টের কনফারেন্স রুমে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।

Manual4 Ad Code

বাংলাদেশ জাসদ সিলেট জেলার সভাপতি জাকির আহমেদের সভাপতিত্বে এবং বাসদ সিলেট জেলার সদস্য সচিব প্রণব জ্যোতি পালের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মত বিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন প্রবীণ রাজনীতিবিদ এডভোকেট বেদানন্দ ভট্টাচার্য, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপক ডঃ আবুল কাশেম, সিপিবি জেলা সভাপতি সৈয়দ ফরহাদ হোসেন,আইডিয়ার নির্বাহী নাজমুল হক,বাসদ জেলা আহ্বায়ক আবু জাফর, বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের সাধারণ সম্পাদক সিরাজ আহমদ, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব শামসুল বাছিত শেরো, সাম্যবাদী আন্দোলনের এডভোকেট রণেন সরকার রনি, বাসদ (মার্ক্সবাদী) জেলার নেতা সঞ্জয় কান্ত দাশ, বাংলাদেশ জাসদ জেলা সাধারণ সম্পাদক ছয়ফুল আলম, সিপিবি সাধারণ সম্পাদক খায়রুল হাসান,চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের জেলা আহ্বায়ক নাজিকুল ইসলাম রানা, ডাঃ প্রণবেন্দু দেব রায়,উদীচী জেলা সংসদের সাধারণ সম্পাদক দেবব্রত পাল মিন্টু,চা শ্রমিক অধিকার আন্দোলনের আহ্বায়ক হৃদেশ মোদি, সমাজতান্ত্রিক মহিলা ফোরামের আহ্বায়ক মাছুমা খানম, ছাত্র ইউনিয়ন জেলা আহ্বায়ক মনীষা ওয়াহিদ, গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের সভাপতি বিশ্বজিৎ শীল, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের সহ সভাপতি সুমিত কান্তি পিনাক, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর সরফরাজ সানোয়ার প্রমূখ।

Manual6 Ad Code

মতবিনিময় সভায় বক্তরা বলেন, জুলাই অভ্যুত্থানের মধ্যে দিয়ে আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সরকারের পতন হয়েছে।এই জুলাই অভ্যুত্থান সংগঠিত হয়েছিল একটি গণতান্ত্রিক শাসন ও বৈষম্যহীন সমাজ নির্মাণের লক্ষে।

বক্তারা বলেন, আওয়ামী সরকার দেশের সমস্ত প্রথা-প্রতিষ্ঠানকে ব্যাপক দলীয়করণ করে গণতান্ত্রিক চর্চাকেও বাধাগ্রস্ত করেছে।রাজনৈতিক-সামাজিক-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে বিভক্তি -বিভাজন ছিল আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের বৈশিষ্ট্য।

Manual1 Ad Code

ব্যাপক লুটপাট, সম্পদ পাচারের মাধ্যমে গোটা অর্থনীতিকে ধ্বসিয়ে দিয়ে সংকটের মাত্রাকে আরো অসহনীয় করে তুলেছিল। এ পরিস্থিতি ছাত্র জনতার অভ্যুত্থান মানুষের মধ্যে একটি আশাবাদ জাগিয়েছে। অভ্যুত্থান পরবর্তীতে গত ২মাস ধরে একটি অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতায় আছে। গণঅভ্যুত্থানের পরবর্তীতে ক্ষমতায় আসা এ সরকারের কাছে মানুষের প্রত্যাশা অনেক। কিন্তু আমরা লক্ষ করছি সরকার এখনও দেশে আইন শৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেনি। ইতিমধ্যে ‘মব ভায়োলেন্স’, বিনা বিচারে হত্যা, মন্দির-মাজার ভাংচুরের মতো ঘটনা ঘটেছে। আওয়ামী শাসনে সাম্প্রদায়িক শক্তির যে বিকাশ ঘটেছে,এখন তাদের নানা আস্ফালনের কাছে সরকার নতজানু থাকছে। ভিন্ন মতকে দমনের জন্য মব তৈরি করা হচ্ছে। ছাত্র জনতার অভ্যুত্থানের পর ক্যাম্পাসগুলিতে বিরাজনীতিকরণের প্রচেষ্ঠা চলছে। ইতিমধ্যে শ্রমিকদের ন্যায্য আন্দোলনে গুলি করে হত্যার ঘটানা ঘটেছে। এসব একটি নতুন সংকটের ইঙ্গিত করছে। সামনে শারদীয় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে সনাতন ধর্মাবলম্বী মানুষ অনিরাপদ বোধ করছেন। এ রকম পরিস্থিতিতে দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, সিন্ডিকেট ভেঙ্গে দিয়ে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং প্রয়োজনী সংস্কার করে দেশে দ্রুত একটি নির্বাচিত সরকারের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর এখন জরুরি কাজ।

Manual6 Ad Code

মতবিনিময় সভায় বক্তারা বলেন, গণ অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা দেশে গণতান্ত্রিক -বৈষম্যহীন সমাজ নির্মাণে বাম প্রগতিশীল শক্তির নেতৃত্বে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের ঐক্যবদ্ধ সংগ্রামের বিকল্প নেই।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code