Main Menu

সংগীতশিল্পী হাসান আবিদুর রেজা জুয়েল মারা গেছেন

Manual8 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সংগীতশিল্পী হাসান আবিদুর রেজা জুয়েল আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) সকাল ১১.৫৩ মিনিটে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

মৃত্যুর খবরটি জুয়েলের পারিবারিক সূত্র গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছে।

দেশের সংগীত অঙ্গন যখন স্তব্ধ জনপ্রিয় ব্যান্ড তারকা শাফিন আহমেদের মৃত্যুতে। ঠিক তখন শোকের আরও ঘনীভূত করতে না ফেরার দেশে চলে গেলেন সংগীতশিল্পী হাসান আবিদুর রেজা জুয়েল।

সামাজিক মাধ্যমে বিনোদন অঙ্গনের অনেকেই জানিয়েছেন তার মৃত্যুর খবর। সাংবাদিক ও চিত্রনাট্যকার রুম্মান রশীদ খান নিজের ফেসবুকে লিখেছেন, জুয়েল ভাই ভালো থাকবেন। নাট্য নির্মাতা সকাল আহমেদও তার মৃত্যুর খবর দিয়েছেন ফেসবুকে।

গত ২৩ জুলাই রাতে বাসায় হঠাৎ শ্বাসকষ্ট শুরু হয় জুয়েলের। অবস্থার অবনতি হলে রাতেই তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায় পরিবারের সদস্যরা। এরপর চিকিৎসকরা তাকে আইসিইউতে নেন। রাখেন ৭২ ঘণ্টার পর্যবেক্ষণে।

Manual8 Ad Code

এরপর জুয়েলের ভাই মহিবুল রেজা বলেছিলেন, ‘হাসান আবিদুর রেজা জুয়েলের ফুসফুসের ইনফেকশন অনেকটাই কমে এসেছে। সেখানে জমে থাকা পানি ক্রমশ বের করা হচ্ছে। হৃদযন্ত্র, কিডনি ও ব্রেইন কাজ করছে। ধীরে ধীরে হলেও ভাইয়ের অবস্থা উন্নতির দিকে যাচ্ছে। তবে এখনও নিজে শ্বাস নিতে পারছেন না। তাই এখনও ভেন্টিলেশনে রাখা হয়েছে তাকে। তাঁকে সুস্থ করে তুলতে চিকিৎসকরা প্রাণপণ চেষ্টা চালাচ্ছেন। সবাই ভাইয়ের জন্য দোয়া করবেন।’

Manual1 Ad Code

১৯৮৬ সালে ঢাকায় চলে আসেন জুয়েল। এসেই তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি কেন্দ্রিক সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক তৎপরতায় জড়িয়ে পড়েন। তখনই বিভিন্ন মিডিয়ার সাথে তার যোগাযোগ ঘটতে শুরু করে।

Manual8 Ad Code

জুয়েলের প্রথম অ্যালবাম প্রকাশিত হয় ১৯৯২ সালে। দশটির মতো অ্যালবাম প্রকাশিত হয়েছে তার। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়তা পেয়েছে ‘এক বিকেলে’ অ্যালবামটি।

এরপর একে একে প্রকাশিত হয় ‘আমার আছে অন্ধকার’, ‘একটা মানুষ’, ‘দেখা হবে না’, ‘বেশি কিছু নয়’, ‘বেদনা শুধুই বেদনা’, ‘ফিরতি পথে’, ‘দরজা খোলা বাড়ি’ এবং ‘এমন কেন হলো’। এ ছাড়াও বেশ কিছু সিঙ্গেল ও মিশ্র অ্যালবামে গেয়েছেন জুয়েল। সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়তা পেয়েছে ‘এক বিকেলে’ অ্যালবামটি। এটি প্রকাশের পর তার নামই হয়ে যায় ‘এক বিকেলের জুয়েল’।

সংগীতশিল্পী হিসেবে তিনি এখনও সর্বাধিক পরিচিত হলেও তার আরও একটি বড় পরিচয় টেলিভিশন অনুষ্ঠান ও তথ্যচিত্র নির্মাতা হিসেবে। পাশাপাশি সঞ্চালনাও করেছেন। তিনি ভালো একজন সংগঠকও। ২০২১ সালে গঠিত সংগীতের তিন সংগঠন নিয়ে ‘সংগীত ঐক্য’ বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক সচিবের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।

Manual3 Ad Code

 

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code