Main Menu

কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সংঘাত, নিহত বেড়ে ২১০

Manual1 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আহত হয়ে চিকিৎসাধীন পোশাকশ্রমিক ইয়ামিন চৌধুরী (১৮) মারা গেছেন। তিনি ১৯ জুলাই রাজধানীর বাড্ডায় সংঘর্ষের সময় গুলিবিদ্ধ হয়েছিলেন। আজ শনিবার বেলা ১১টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মারা যান তিনি।

ইয়ামিন চৌধুরীর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. বাচ্চু মিয়া। কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ ও পরবর্তী সংঘাতে এ নিয়ে ২১০ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেল।

Manual4 Ad Code

মৃত্যুর এই হিসাব কিছু হাসপাতাল, মরদেহ নিয়ে আসা ব্যক্তি ও স্বজনদের সূত্রে পাওয়া। সব হাসপাতালের চিত্র পাওয়া যায়নি। এ পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, ১৬ জুলাই ৬ জন, ১৮ জুলাই ৪২ জন, ১৯ জুলাই ৮৫ জন, ২০ জুলাই ৩৮ জন, ২১ জুলাই ২১ জন, ২২ জুলাই ৫ জন, ২৩ জুলাই ৩ জন, ২৪ জুলাই ৩ জন, ২৫ জুলাই ৫ জন ও ২৬ জুলাই ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

Manual1 Ad Code

উল্লেখ্য, গত ২২ জুলাই সোমবার থেকে আজ শনিবার পর্যন্ত সব মৃত্যু চিকিৎসাধীন অবস্থায় হয়েছে।

Manual7 Ad Code

ইয়ামিনের বাবা রতন চৌধুরী বলেন, তাঁর ছেলে উত্তর বাড্ডার একটি পোশাক কারখানার শ্রমিক ছিলেন। ১৯ জুলাই বেলা ১টার দিকে কাজ শেষে বাসায় ফিরছিলেন। উত্তর বাড্ডা সুবাস্তু টাওয়ারের সামনে এলে তাঁর পেটে ও ডান হাতে গুলি লাগে। পথচারীরা তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) তাঁর মৃত্যু হয়। মা-বাবার সঙ্গে বাড্ডার হাসান উদ্দিন রোডে থাকতেন ইয়ামিন। দুই ভাইয়ের মধ্যে তিনি ছিলেন ছোট। তাঁর বাড়ি কিশোরগঞ্জের মিঠামইন উপজেলার কাঞ্চনপুরে। সূত্র: প্রথম আলো

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code