বিমানে সিলেটের এক শিশুকে বাঁচিয়ে দিলেন ভারতীয় চিকিৎসকরা
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: ভারতের বেঙ্গালুরের একটি হসপিটালে চিকিৎসা নিয়ে ফেরার পথে বিমানে শ্বাস প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে ২বছরের মেয়ে রুবাবার।
বেঙ্গালুরু-দিল্লি সেই ফ্লাইটে ভারতের AIIMS-এর একদল চিকিৎসক ছিলেন। তাদের প্রচেষ্ঠায় তাৎক্ষণিক বেচে যায় শিশুটি।
রোববার (২৭ আগস্ট) বেঙ্গালুরু-দিল্লি ভিস্তারা ফ্লাইটে AIIMS-দিল্লির পাঁচজন ডাক্তারের একটি দল যখন ইন্ডিয়ান সোসাইটি ফর ভাস্কুলার অ্যান্ড ইন্টারভেনশনাল রেডিওলজি (ISVIR) থেকে ফিরছিলেন। একই বিমানে ফিরছিল সিলেটের ট্রাস্ট মেডিকেলের জেনারেল ম্যানেজার আনোয়ার হোসেন ও মুহিবুর রহমান একাডেমির শিক্ষিকা নাসরিন আক্তার শিমু ও তাদের ২ বছরের বাচ্চা রুবাবা।
হার্টের বাইপাস সার্জারি করে ব্যাঙ্গালুরু থেকে দিল্লী যাওয়ার পথে বিমান উড্ডয়নের সময় রুবাবার শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ হয়ে যায়। ভাগ্যিস ফ্লাইটে কয়েকজন ডাক্তার ছিলেন। তাদের চেষ্ঠায় আপাতত বেচেঁ গেল শিশুটি।
AIIMS-দিল্লি জানায়, তাৎক্ষণিকভাবে শিশুটিকে পরীক্ষা-নীরিক্ষা করে শিশুটির পালস পাওয়া যাচ্ছিলনা, তার হাত-পা ঠান্ডা ছিল এবং শ্বাস-প্রশ্বাস বন্ধ ছিল। সাথে সাথে সেখানে থাকা ডাক্তাররা সিপিআর চালু করেন।
তারা তাদের দক্ষতা দিয়ে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেন। পরে ডাক্তারদের পরামর্শে ভিস্তারা UK-814 ফ্লাইটটি নাগপুর এয়ারপোর্টে ইমার্জেন্সি ল্যান্ডিং করা হয়।
সেখান থেকে শিশু রুবাবাকে এম্বুলেন্স দিয়ে নাগপুরের কিংস ওয়ে হাসপাতালে শিশু বিশেষজ্ঞ ডাক্তারদের কাছে হস্তান্তর করেন তারা।
শিশুটির মা নাসরিন আক্তার শিমু জানান, সে এখন নাগপুরের একটি হাসপাতালে আইসিউতে চিকিৎসাধীন। তিনি বলেন তার মস্তিষ্ক এখন কোন কাজ করছেনা।
চিকিৎসকরা নিবিড় পর্যবেক্ষণে রেখেছেন। তিনি সবার কাছে তার ছোট্ট মেয়ে রুবাবার জন্য দোয়া চেয়েছেন।
Related News
নদী ভাঙন ও বন্যা ঠেকাতে সিলেটে স্থায়ী সমাধানের পথে সরকার: বানিজ্যমন্ত্রী
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটে নদীভাঙন, বন্যা ও জলাবদ্ধতার দীর্ঘদিনের সমস্যা মোকাবিলায় স্থায়ী ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধানেরRead More
সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণা
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের নিয়ন্ত্রণ থেকে মুক্তির দাবিতে আন্দোলনরত সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের শিক্ষার্থীরাRead More



Comments are Closed