Main Menu

জাবিতে জুবায়ের হত্যাকান্ডের ১১তম বার্ষিকী পালিত

Manual5 Ad Code

জাবি প্রতিনিধি: “আর কোন ফসল কীটে খেতে দেবো না” স্লোগানকে সামনে রেখে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে পালিত হয়েছে ‘সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর’ প্রতিবাদী অনুষ্ঠান। ২০১২ সালে ছাত্রলীগের কতিপয় সদস্যের হাতে নিহত হন ইংরেজি বিভাগের ৩৬ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছাত্রলীগ নেতা ও সাংস্কৃতিক কর্মী জুবায়ের আহমেদ।

জুবায়ের হত্যাকান্ডের ১১ বছর উপলক্ষে সোমবার (৯ জানুয়ারী) সন্ধ্যা ৬ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন চত্বরে তথ্যচিত্র প্রদর্শন ও প্রতিবাদী গান অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া বক্তব্য রাখেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। গান পরিবেশন করেন শুভ সাহা, মুইজ মাহফুজ, কাকঁতাল ও দগদগে।

ছাত্র ইউনিয়নের সাংস্কৃতিক সম্পাদক আশরাফুর রহমান নবীন এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে দর্শন বিভাগের অধ্যাপক রায়হান রাইন বক্তব্যে বলেন, জুবায়ের হত্যার পর যে আলোড়ব হিয়েছিল৷ শিক্ষক সমাজে থেকে সবাই যুক্ত হয়েছিলেন। শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকেও সবাই যুক্ত হিয়েছিল।

সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি সৌমিক বাগচী তার বক্তব্যে বলেন, জুবায়ের হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত তারা ইনস্টাগ্রামে লিখছে ‘আমরা পাখির মত মুক্ত’। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে আসলাম এত কষ্ট করে আমরা তো সুন্দর জীবন পাচ্ছি না, পাচ্ছে যারা ক্ষমতার পা চাটছে। মদদদাতারা এর দায় এড়াতে পারে না।

চলচ্চিত্র আন্দোলনের সাংগঠনিক সম্পাদক কায়েস মাহমুদ বলেন, কোন মানুষ অন্য কারও জীবন নিতে পারে না। আমরা যদি কীটদের ফসলের মাঝে ছেড়ে রাখি তারা ফসল কাটবেই।

Manual1 Ad Code

সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক কনোজ কান্তি রায় বলেন, খুনের একটা উন্মাদনা তৈরি হচ্ছে। আবরার, বিশ্বজিৎ, জুবায়েররা খুন হয়। সে হত্যার শাস্তি হয়, কিন্তু আদালতের রায়কে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে তারা ঘুরে বেড়ায়।

Manual8 Ad Code

উল্লেখ্য, জুবায়ের হত্যাকান্ডের পর গঠিত হয় ‘সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর’। দীর্ঘদিন আন্দোলনের পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন খুনীদের বহিস্কার করে। ২০১৫ সালে ৫ জনের ফাসিঁ ও ৬ জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড ঘোষনা করে আদালত। তবে আসামীদের অনেকে দেশের বাইরে পালিয়ে যায় এবং বাকিরা পুলিশের তালিকায় এখনও পলাতক।

Manual8 Ad Code

 

Manual6 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code