Main Menu

ইবি’র এস্টেট পরিচালককে ভর্ৎসনা করে বদলি

শাহাব উদ্দীন ওয়াসিম, ইবি প্রতিনিধি: অনুমতি ছাড়াই ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) স্টোরে রক্ষিত মালামাল বিক্রির অভিযোগে এস্টেট অফিস প্রধান টিপু সুলতানকে বদলি করেছে বিশবিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এ ঘটনায় তাকে ভর্ৎসনা করে এবং সতর্কবার্তা দিয়ে একাডেমিক শাখা এবং তার তিন সহযোগীকে বিভিন্ন অফিসে বদলি করা হয়েছে।

গত রবিবার (১৬ অক্টোবর) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) এইচ.এম. আলী হাসান স্বাক্ষরিত দুইটি আলাদা প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তি সূত্রে, এস্টেট অফিস প্রধান টিপু সুলতানকে একাডেমিক শাখা, রেজিস্ট্রার অফিস বদলি করা হয়েছে। এছাড়াও ওই ঘটনায় জড়িত এস্টেট অফিসের শাখা কর্মকর্তা নাজমুল হোসাইনকে পরিবেশ বিজ্ঞান ও ভূগোল বিভাগ, এস্টেট অফিসের শাখা কর্মকর্তা উকিল উদ্দিনকে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ, এস্টেট অফিসের সহকারী রেজিস্ট্রার বকুল হোসেনকে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে বদলি করা হয়েছে। পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ কর্মকর্তাদের এসব অফিসে বদলি করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।

অপর বিজ্ঞপ্তি সূত্রে, টিপু সুলতান বিনা অনুমতিতে এস্টেট অফিসের তত্ত্বধানে থাকা মালামাল বিনা অনুমতিতে বিক্রি করেছে বলে পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। একইসাথে তদন্ত কমিটিও বিষয়টির সত্যতা পেয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এই ঘটনায় তাকে ভর্ৎসনা করা হয়েছে এবং পরবর্তীতে এ ধরণের ঘটনা না ঘটানোর জন্য সতর্ক করা হয়।

উল্লেখ্য, গত ২৭ এপ্রিল এস্টেট অফিসের প্রধান ও তার তিন সহযোগী স্টোরের তত্ত্বাবধানে থাকা পুরাতন কম্পিউটার মনিটর, সিপিইউসহ অন্যান্য যন্ত্রাংশ বিনা অনুমতিতে বিক্রি করেন বলে অভিযোগ উঠে। এ ঘটনায় গত ১১ মে একটি দৈনিক পত্রিকায় ‘ইবিতে পুনরো কম্পিউটার ৫০ টাকা দরে বিক্রি!’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদটি প্রশাসনের নজরে আসলে গত ১৫ মে ওই চার কর্মকর্তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। পরে ৩১ মে তাদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। ইংরেজি বিভাগের প্রফেসর ড. মামুনুর রহমানকে আহবায়ক করে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি ঘটনার সত্যতা পেয়েছে বলে জানা গেছে।

Share





Related News

Comments are Closed