Main Menu

ছাতকে বন্যার পানিতে ডুবে তিনজনের মৃত্যু

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: প্রাকৃতিক দুর্যোগ বন্যার পানিতে ডুবে সুনামগঞ্জের ছাতকে তিনজন মারা গেছেন। স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় ছাতকে বিদ্যুৎ সরবরাহে বিপর্যয় ঘটে। এতে উপদ্রুত এলাকাগুলোতে মোবাইল নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ফলে দুর্গত মানুষের তথ্য আদান-প্রদানে বিঘ্ন ঘটে। বেশিরভাগ এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ ‍পুনস্থাপিত হলেও কিছু এলাকা এখনও বিদ্যুৎহীন।

ভারী বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলের সঙ্গে লড়াই করে কোনো মতে বেঁচে থাকা মানুষগুলোকে উপদ্রুত এলাকা থেকে উদ্ধারে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে যোগ দেয় সেনা সদস্য ও নৌবাহিনী।

রোববার (১৯ জুন) থেকে বৃষ্টি কম হওয়ায় কমতে শুরু করেছে বন্যার পানি। আর উপদ্রুত এলাকাগুলোর সঙ্গে ক্রমশ যোগাযোগ বাড়তে থাকায় বিভিন্ন এলাকা থেকে আসছে মৃত্যুর খবর।

সুনামগঞ্জের ছাতক পৌরসভার কানাখালি রোডের আখড়া এলাকায় পিযুষ (৪০) ও ছৈলা-আফজালাবাদ ইউনিয়নের রাধানগর এলাকার জুনেদ (২৭) পানিতে ডুবে মারা গেছেন। জুনেদ গত শনিবার ছাতক থেকে বাড়িতে ফেরার পথে নিখোঁজ হন। রোববার তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ছাতক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মামুনুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে ছাতকের জাউয়া বাজার থেকে নিখোঁজ স্কুলছাত্রী হানিফা বেগমের (৯) মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার বিকেলে পাশের কাইতকোনা এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত হানিফা বেগম শান্তিগঞ্জ উপজেলার বড়মোহা গ্রামের মৃত জিলু মিয়ার মেয়ে। মামার বাড়িতে বেড়াতে এসে বানের পানিতে ডুবে মারা যায় হানিফা।

নিহত হানিফার মামা ছফেদ আলী পীর জানান, হানিফাসহ তারা নৌকাযোগে বাড়ি ফিরছিলেন। জাউয়া ডিগ্রি কলেজের কাছে তাদের বহনকারী নৌকা ডুবে যায়। নৌকার আরোহীরা সবাই রক্ষা পেলেও হানিফাকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। সে বানের পানিতে ভেসে যায়। ঘটনার দু’দিন পর রোববার বিকেলে তার মরদেহ ভেসে ওঠে। খবর পেয়ে তার মরদেহ স্বজনরা উদ্ধার করে নিয়ে আসেন। এ ঘটনায় হানিফার পরিবারে শোকের মাতম চলছে।

Share





Related News

Comments are Closed