Main Menu

অন্তর্ভুক্তিমূলক সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যই জাতিগত ঐক্যের প্রধান শক্তি

শাহাব উদ্দীন ওয়াসিম, ইবি প্রতিনিধি: অন্তভুক্তিমূলক জাতিতাত্ত্বিক বহুত্ববাদ কার্যকর রাষ্ট্রবিনির্মাণের প্রধান শক্তি। কেননা, জনজাতির সাংস্কৃতিক ঐক্যই শক্তিশালী রাষ্ট্রব্যবস্থার সূচনা করতে পারে। সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য নিয়ে কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ে বিশেষ বক্তৃতায় এসব কথা বলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকসংস্কৃতিবিদ্যা বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মোস্তাফিজুর রহমান।

সোমবার (২৩ মে) ভারতের স্থানীয় সময় দুপুর ১২টায় কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকসংস্কৃতি বিভাগ ও সেন্টার ফর কালচার স্টাডিজ যৌথভাবে বিভাগের সেমিনার হলে এই বিশেষ বক্তৃতার আয়োজন করে।

বৈশ্বিক প্রযুক্তিবিদ্যার জীবন্ত পরিসরে বহুজাতিক সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের নানা দিক গুরুত্ব পায় আলোচনায়। ড. রহমান বলেন, “সংস্কৃতিই মানুষের পরিচয়। সাংস্কৃতিক আবহেই একটি মানবশিশু একজন পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। যে সমাজে অন্তর্ভুক্তিমূলক ও বহুত্বভিত্তিক সংস্কৃতির অস্তিত্ব দুর্বল সেখানে মানুষের সামাজিকীকরণ প্রক্রিয়া মজবুত ভিত্তি পায়না।”

এ আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ অধ্যাপকগণ। আইকিউএসির পরিচালক অধ্যাপক নন্দকুমার ঘোষ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানের সমন্বয়কারী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক সুমিত মুখার্জী। সঞ্চালনায় ছিলেন সেন্টার ফর কালচার স্টাডিজের যুগ্ম-অধিকর্তা ড. দেবলীনা দেবনাথ। সেন্টার ফর কালচার স্টাডিজের যুগ্ম-অধিকর্তা ও লোকসংস্কৃতি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. সুজয়কুমার ম-ল জানান, সমাজবিজ্ঞান ও মানববিদ্যার বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে এ ধরনের আন্তঃবিদ্যায়তনিকচর্চা আরোও লাগাতার হওয়া উচিৎ। বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর কালচার স্টাডিজ আন্তঃবিদ্যায়তনিক চর্চাকে নবতর দিশা দেখাবে বলে আমি মনে করি।

বৈশ্বিক চাহিদার প্রতি গুরুত্ব রেখে নিয়মিত এমন উচ্চস্তরীয় জ্ঞান-চর্চা অদূর ভবিষ্যতে সেন্টারটিকে স্বতন্ত্র বিভাগের মর্যাদায় উন্নীত করবে। এই আলোচনাচক্রে বিভিন্ন বিভাগের অধ্যাপক-অধ্যাপিকার পাশাপাশি, গবেষক, ছাত্র-ছাত্রীরাও অংশ নেন।

0Shares





Related News

Comments are Closed