Main Menu

সুরমার পানি সিলেটে কমছে, ফেঞ্চুগঞ্জে বাড়ছে

Manual3 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: প্রায় ১৫ দিন ধরে টানা বৃদ্ধির পর অবশেষে কমতে শুরু করেছে সিলেটে সুরমার নদী পানি। শুক্রবার (২০ মে) থেকে সিলেটের এই প্রধান নদীর পানি ধীর গতিতে কমতে শুরু করে। তবে এখনও প্রতিটি পয়েন্টেই বিপৎসীমার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে।

এদিকে, সিলেটের অপর প্রধান নদী কুশিয়ারার পানি জকিগঞ্জ উপজেলার অমলসীদ পয়েন্টে কমলেও বেড়েছ ফেঞ্চুগঞ্জে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা বলছেন, উজানে বৃষ্টি কমলে নদীর পানি কমা অব্যাহত থাকবে। এতে প্লাবিত এলাকা থেকেও পানি নেমে যেতে শুরু করবে।

শুক্রবার সকালে সিলেটে বৃষ্টি হলেও দুপুর থেকে রোদ উঠেছে। নগরের জলমগ্ন কয়েকটি এলাকার পানিও কিছুটা কমেছে। তবে প্লাবিত উপজেলাগুলোতে পানি একই অবস্থায়ই রয়েছে। বরং ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায় পানি কিছুটা বেড়েছে।

শুক্রবার বিকেলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) হিসেবে সুরমা নদীর পানি কানাইঘাট পয়েন্টে ৯৬ সেন্টিমিটার ও সিলেট পয়েন্টে ৩২ সেন্টিমটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

Manual2 Ad Code

পাউবোর হিসেবে, শুক্রবার কানাইঘাট পয়েন্টে ভোর ৬টায় ১৩.৭৫ মিটার, সকাল ৯ টায় ১৩.৭০ মিটার এবং বেলা ৩টায় ১৩.৬৯ মিটার দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এই পয়েন্টের বিপৎসীমা ১২.৭৫ মিটার।

অপরদিকে, সিলেট পয়েন্টে সকাল ৬টায় ১১.২০ মিটার, সকাল ৯টায় ১১.১৮ মিটার ও বেলা ৩ টায় ১১.১২ মিটার দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এই পয়েন্টে বিপৎসীমা ১০.৮০ মিটার।

পাউবোর হিসেবে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬ টা থেকে শুক্রবার বেলা ৩টা পর্যন্ত সুরমার পানি কানাইঘাটে ১২ সেন্টিমটার ও সিলেটে প্রায় ১৬ সেন্টিমিটার কমেছে।

Manual5 Ad Code

অপরদিকে, কুশিয়ারা নদীর পানি অমলসীদে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে শুক্রবার বিকেল ৩টা পর্যন্ত ৮ সেন্টিমিটার কমেছে। তবে এই সময়ে ফেঞ্চুগঞ্জে ১৬ সেন্টিমিটার বেড়েছে।

Manual6 Ad Code

এছাড়া কিছুটা কমেছে লোভা, সারি, ধলাই, নদীর পানিও।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সিলেটের উপ সহকারি প্রকৌশলী নিলয় পাশা বলেন, আজ সুরমার পানি কিছুটা কমেছে। উজানে বৃষ্টি না হলে পানি আরও কমবে। তবে বৃহস্পতিবার রাতে জকিগঞ্জের অমলসীদে একটি বাঁধ ভেঙে নতুন করে কিছু এলাকা প্লাবিত হয়েছে।
তিনি বলেন, কুশিয়ারার পানিও কমছে। তবে এই পানি এখন ফেঞ্চুগঞ্জ, বালাগঞ্জ হয়ে নামবে। ফলে ওই এলাকায় পানি বাড়ছে। এই দুই উপজেলার কিছু এলাকা প্লাবিতও হতে পারে।

শুক্রবার দুপুরের পর থেকে পানি কিছুটা কমেছে বলে জানিয়েছেন সিলেট নগরের উপশহর এলাকার বাসিন্দা তাসনিম আহমদ। তিনি বলেন, পানি হালকা কমেছে। তবে এখনও বাসাবাড়ির ভেতর থেকে নামেনি।

গত ১১ মে থেকে সিলেটে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। এর কয়েকদিন আগে থেকে নদনদীর পানি বাড়তে শুরু করে। বন্যায় তলিয়ে যায় সিলেটের ১৩ উপজেলার মধ্যে ১০ উপজেলার বেশিরভাগ এলাকা। কেবল বালাগঞ্জ, ওসমানীনগর ও বিশ্বনাথ উপজেলা এখন পর্যন্ত বন্যায় তেমন ক্ষতিগস্থ হয়নি। বন্যায় পানিবন্দি হয়ে আছেন জেলার প্রায় ১৫ লাখ মানুষ।

Manual7 Ad Code

 

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code