Main Menu

সিলেটে ফায়ার সার্ভিসসহ বিভিন্ন সরকারী প্রতিষ্টানেও পানি উঠেছে

Manual4 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেট নগরের তালতলা এলাকায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের কার্যালয় বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। এছাড়াও নগরীর বেশ কয়েকটি সরকারী গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানেও পানি উঠেছে।

মঙ্গলবার বিকেলে তালতলা এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, ফায়ার সার্ভিসের ভবনের ভেতরে পানি ঢুকে গেছে। পানিতে ডুবে আছে আগুন নেভানোর গাড়িও। এতে বিপাকে পড়েছেন ওই ভবনে বসবাস করা ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। বাধ্য হয়ে তাদের আশ্রয় নিতে হয়েছে নগরের রিকাবীবাজার এলাকার কাজী নজরুল অডিটোরিয়ামে।

Manual2 Ad Code

নজরুল অডিটোরিয়ামে গিয়ে দেখা যায়, অডিটোরিয়ামের সামনেই ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি দাঁড় করিয়ে রাখা। এই মিলনায়তনেই খোলা হয়েছে ফায়ার সার্ভিসের অস্থায়ী কন্ট্রোল রুম। আর অডিটোরিয়ামের বারান্দায় নিজেদের অস্থায়ী শোয়ার জায়গা করে নিয়েছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।

সন্ধ্যায় অডিটোরিয়ামের বারান্দায় বিছানা পেতে বসে থাকা ফায়ার সার্ভিসের কর্মী নাজমুল ইসলাম বলেন, পানিতে আমাদের অফিস তলিয়ে গেছে। তাই এখানে আশ্রয় নিয়েছি। এখানেই রাতে থাকতে হবে। আবার কোন দুর্ঘটনা ঘটলে এখান থেকেই আমাদের টিম যাবে।

কেবল ফায়ার সার্ভিসের কার্যালয় নয়, সিলেটে সাম্প্রতিককালের ভয়াবহ বন্যায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছে জরুরী সেবা প্রদানকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান। এতে এসব প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা যেমন বিপাকে পড়েছেন, তেমন দুর্ভোগে পড়েছেন সেবাগ্রহীতারও। এছাড়া কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাও পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় দুর্ভোগ বেড়েছে।

বিকেলে নগরের তালতলা এলাকার বাংলাদেশ ব্যাংক ভবনের সামনে গিয়ে দেখা যায়, ওই ভবনের সামনের সড়কে হাঁটু পানি। পানি ঢুকে পড়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক ভবনের চত্বরেও।

Manual6 Ad Code

এসময় নগরের বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, সিলেট বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়, উপ মহা পুলিশ পরিদর্শকের কার্যালয়, কোতোয়ালি থানা, বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কার্যালয়, তোপখানা সড়ক ও জনপথের কার্যালয়, সোবহানীঘাট পুলিশ ফাঁড়ি, বিদ্যুতের আঞ্চলিক কার্যালয়সহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান জলমগ্ন হয়ে পড়েছে। পানি উঠে গেছে জলমগ্ন হয়ে পড়া সিলেট নগর ও উপজেলাগুলোর বেশিরভাগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে।

Manual3 Ad Code

এদিকে, বন্যায় তলিয়ে গেছে সিলেট নগরের চালিবন্দর এলাকার মহাশ্মশানঘাট। সিলেট নগরের মধ্যে এই একটিমাত্র স্থানে হিন্দুধর্মাবলম্বীরা মৃতদেহ দাহ করে থাকেন।

Manual2 Ad Code

তবে বন্যা পরিস্থিতির অবনতির সাথে সাথে মঙ্গলবার সকালে তলিয়ে যায় এ শ্মশানঘাট। এতে এখানে মরদেহ দাহ করা যাচ্ছে না।

শ্মশানঘাট সংস্কার ও সংরক্ষণ কমিটি, সিলেটের সভাপতি বেদানন্দ ভট্টাচার্য জানান, শ্মশান ঘাটের শবদাহ পোড়ানোর চুলা তলিয়ে গেছে। এ অবস্থায় সনাতন ধর্মাবলম্বী সকলকে সিলেট নগরের উপকণ্ঠের দেবপুর এলাকার শ্মশানঘাটে দাহকার্য সম্পন্ন করার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

সিলেটের জেলা প্রশাসক মো. মজিবর রহমান জানিয়েছেন, কিছু সরকারি স্থাপনায় পানি উঠলেও সেবা ব্যাহত হচ্ছে না। সব প্রতিষ্ঠানেরই স্বাভাবিক কার্যক্রম অব্যাহত আছে।

 

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual5 Ad Code