Main Menu

কানাইঘাটে নির্যাতনে গৃহবধূর মৃত্যুর অভিযোগ

Manual2 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: আহত অবস্থায় ৬দিন সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কানাইঘাটের এক গৃহবধূর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। যৌতুকের দাবী মেটাতে না পারায় স্বামী-শ্বাশুড়ী ও শ্বশুড় মিলে সাজিদা বেগমকে অমানুষিক নির্যাতন করে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছে বলে ভিকটিমের পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনরা জানিয়েছেন।

Manual8 Ad Code

শনিবার (৭ মে) ময়নাতদন্তের পর গৃহবধূর লাশ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে পুলিশ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার নিহালপুর গ্রামের রইছ উদ্দিনের মেয়ে সাজিদা বেগমের ৪ বছর পূর্বে পৌরসভার বিষ্ণুপুর করচটি গ্রামের বসবাসরত ইসলাম উদ্দিনের ছেলে রেজোয়ান আহমদ (২৮) এর সাথে বিয়ে হয়। তাদের ঘরে দুই বছরের এক পুত্র সন্তান রয়েছে। বিয়ের বছর যাওয়ার পরই যৌতুকের জন্য বিভিন্ন সময়ে স্বামী রেজোয়ান ও তার মা আমিরুন নেছা, ইসলাম উদ্দিন প্রায়ই সাজিদাকে নির্যাতন করত। এ নিয়ে সব-সময় সংসারে অশান্তি বিরাজ করত বলে সাজিদার আত্মীয়-স্বজনরা জানান। একবার যৌতুক বাবদ লক্ষাধিক টাকা সাজিদার পরিবার প্রদান করে।

Manual8 Ad Code

সর্বশেষ পুণরায় মোটা অংকের যৌতুকের জন্য গত ১ মে রাত ১১টার দিকে সাজিদাকে তার স্বামী, শ্বশুড়-শ্বাশুড়ী মিলে মারপিট সহ গলায় রশি দিয়ে ফাস লাগিয়ে হত্যারও চেষ্টা করে। একপর্যায়ে স্বামীর বাড়ির লোকজনদের অমানুষিক নির্যাতনের কারনে সাজিদা বেগম অচেতন হয়ে পড়লে তাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে স্বামী সহ পরিবারের লোকজন। পরবর্তীতে সাজিদার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসকগণ তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট ওসমানী হাসপাতালে রেফার করেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ৬ মে শুক্রবার রাত ১২টার দিকে মৃত্যুর মুখে ঢলে পড়েন তিনি।

Manual5 Ad Code

সাজিদা বেগমের মা ও বাবাসহ পরিবারের লোকজন কান্না জড়িত কন্ঠে বলেন, হাসপাতালে সাজিদা বেগম মারা যাওয়ার পর তার লাশ সেখানে রেখে তার স্বামী রেজোয়ান আহমদ তার দুই বছরের শিশু ছেলেকে নিয়ে পালিয়ে যায়। এখন পর্যন্ত সাজিদা বেগমের শিশু ছেলেরও কোন সন্ধান পাচ্ছেন না তারা। এমনকি তার স্বামীর বাড়ির লোকজন বিবাহের সময় উপহার বাবদ দেওয়া ফানির্চার, আসবাবপত্রসহ প্রায় ৩ লক্ষ টাকার মালামাল বসত ঘর থেকে সরিয়ে ফেলেছে।

ভিকটিমের পরিবারের অভিযোগ যৌতুকের দাবী মেটাতে না পেরে তিলে তিলে স্বামীর বাড়ির লোকজন সাজিদাকে অমানুষিক, শারীরিক নির্যাতন করে হত্যা করেছে। ঘটনার পর পরই বিষয়টি থানা পুলিশকে সাজিদা বেগমের পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়। এ ঘটনায় সাজিদার পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

 

Manual8 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code