Main Menu

দ্বিতীয় ধাপের টিসিবি পণ্য বিক্রি শুরু বৃহস্পতিার

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক : সিলেট বিভাগে ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে এখন পর্যন্ত টিসিবি পণ্য কিনেছে ৪ লাখ ২৭ হাজার ১২৯ পরিবার। প্রথম পর্যায়ে বিভাগে টিসিবি পণ্য বিতরণের ৯৮ শতাংশ সম্পূর্ণ হয়েছে। প্রথম পর্যায়ের মজুত করা বাকী পণ্য অবশিষ্ট উপকারভোগীদের মধ্যে আজ বুধবার ও বৃহস্পতিবারের মধ্যে বিতরণ কার্যক্রম শেষ করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন সূত্র নিশ্চিত করেছে।

এদিকে টিসিবি’র ২য় ধাপের পণ্য বিক্রি শুরু হতে যাচ্ছে বৃহস্পতিবার (৭ এপ্রিল) থেকে। ১ম ধাপে প্রতি উপকারভোগী পরিবার ফ্যামিলি কার্ড দেখিয়ে ৪৬০ টাকার বিনিময়ে ২ কেজি চিনি, ২ কেজি মসুর ডাল এবং ২ লিটার সয়াবিন তেল নির্ধারিত ডিলারদের কাছে থেকে ক্রয় করেছেন। ২য় ধাপে এই প্যাকেজের সাথে আরো ২ কেজি ছোলা যোগ করা হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সিলেট বিভাগে কম মূল্যে টিসিবি’র পণ্য দিতে ৪ লাখ ৬২ হাজার ৫১৯ জন উপকারভোগীর তালিকা করা হয়। এরমধ্যে ১ম পর্যায়ে ২০ মার্চ থেকে মঙ্গলবার (৫ এপ্রিল) পর্যন্ত ৪ লাখ ২৭ হাজার ১২৯ জন পণ্য কিনেছেন। ৩৫ হাজার ৩৯০ জন এখনো পণ্য কিনতে পারেননি। তবে পণ্য বিক্রি কার্যক্রম চলমান থাকায় আজ ও কালের মধ্যে বাকী সবাই পণ্য পেয়ে যাবেন বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসনের ব্যবসা ও বাণিজ্য শাখা। একই সাথে বৃহস্পতিবার (৭ এপ্রিল) থেকে ২য় পর্যায়ের পণ্যবিক্রি কার্যক্রম শুরু হবে। এলক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি স¤পন্ন করা হয়েছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, টিসিবি ডিলাররা পণ্য গ্রহণের ১ দিন পূর্বে নির্দিষ্ট হিসাব নম্বরে টাকা জমাদান করে ডিও গ্রহণ করে পণ্য বিক্রি করছেন। এ কার্যক্রম তদারকিতে সুন্দরভাবে বাস্তবায়নের জন্য জেলা প্রশাসন, সিটি করপোরেশন, উপজেলা প্রশাসন, পৌরসভা এবং ইউনিয়ন পরিষদের সমন্বয়ে সার্বক্ষণিক উপস্থিত থাকার জন্য ট্যাগ টিম গঠন করা হয়েছে। ওই টিম প্রতিদিনের পণ্য বিক্রি কার্যক্রমের ওপর নিয়মিত রিপোর্ট প্রদান করছে। প্রথম পর্যায়ের টিসিবি পণ্য বিতরণ শেষে একই নিয়মে ২য় পর্যায়ের পণ্য বিক্রি কার্যক্রম চলবে।

সিলেট জেলা প্রশাসনের ব্যবসা ও বাণিজ্য শাখার সহকারী কমিশনার মোঃ মাহবুবুর রহমান সংবাদ মাধ্যমকে জানান, সিলেট জেলা ও মহানগর এলাকায় টিসিবির পণ্য দিতে ১ লক্ষ ৮৩ হাজার ৩৬৩ জন উপকারভোগির তালিকা প্রস্তুত করা হয়। এরমধ্যে শতকরা ৯৮ ভাগ মানুষ পণ্য কিনে নিয়েছেন। বাকীরা আজ ও কালের মধ্যে পণ্য পেয়ে যাবেন। এরপরই আমরা ২য় পর্যায়ের পণ্যবিক্রি শুরু করবো।

সুুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসনের ব্যবসা ও বাণিজ্য শাখা সহকারী কমিশনার আর্ণিকা আক্তার জানান, সুনামগঞ্জে মোট ১ লক্ষ ১৪ হাজার ৯১০ জন উপকারভোগীর মধ্যে ১ম পর্যায়ে পণ্য পেয়েছেন ১ লক্ষ ৭ হাজার ৫৪২ জন। বাকী রয়েছেন ৭ হাজার ৩৬৮ জন। যাদেরকে বুধবার পণ্য দেয়ার কথা রয়েছে। গেল মাসে পণ্য না থাকায় মাঝখানে ৩ দিন পণ্যবিক্রি বন্ধ রাখতে হয়েছিল। না হয় মার্চের ভেতরেই ১ম পর্যায়ের পণ্য বিক্রি কার্যক্রম শেষ হতো।

হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসনের ব্যবসা ও বাণিজ্য শাখা সহকারী কমিশনার শামসুদ্দিন মোঃ রেজা জানান, হবিগঞ্জে ৯১ হাজার ৮২০ জন উপকারভোগীর সকলেই পণ্য পেয়েছে। ৩১ মার্চ আমাদের ১ম পর্যায়ের পণ্যবিক্রি শেষ হয়েছে। ৭ এপ্রিল থেকে ২য় পর্যায়ের পণ্য বিক্রি শুরু হবে। সেই লক্ষে প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে।

মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসনের ব্যবসা ও বাণিজ্য শাখা সহকারী কমিশনার মোঃ দুলাল হোসেন জানান, মৌলভীবাজারে ৭২ হাজার ৪২৬ জন উপকারভোগীর তালিকা করা হয়েছিল। এরমধ্যে ৫৪ হাজার ৪০৪ জন ১ম পর্যায়ের টিসিবি পণ্য পেয়েছে। বাকী রয়েছেন ১৬ হাজার ২২ জন। তবে বাকী সকলেই আজ ও কালের মধ্যে পণ্য পেয়ে যাবেন। এছাড়া ৭ এপ্রিল থেকে ২য় পর্যায়ের পণ্যবিক্রি শুরুর প্রস্তুতি চলছে।

Share





Related News

Comments are Closed