Main Menu

ইলিয়াস আলীর নেতৃত্বে এ অঞ্চলের মানুষ জেগে উঠছিল : মির্জা ফখরুল

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ৯ বছর ধরে এম ইলিয়াস আলী নিখোঁজ হলেও সরকার তার সন্ধান দিতে ব্যর্থ হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কাছে গিয়েও তার পরিবার তার কোন সন্ধান বের করতে পারেনি।

বৃহস্পতিবার সকালে সিলেট নগরীর রেজিস্ট্রি মাঠে সিলেট জেলা বিএনপির সম্মেলন ও কাউন্সিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। দলের চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও নিখোঁজ বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহসিনা রুশদীর লুনা মঙ্গলবার সকাল সোয়া ১১টায় সম্মেলন আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন।

মির্জা ফখরুল বলেন, ইলিয়াস আলী ছিলেন এ অঞ্চলের একজন সাহসী নেতা। তাঁর নেতৃত্বে জেগে উঠছিল এ অঞ্চলের মানুষ। তার স্ত্রী তাহসিনা রুশদীর লুনার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্বামী নিখোঁজ হবার পরও তিনি হাল ছাড়েননি। গণতন্ত্রের জন্য তিনি লড়াই করে চলেছেন।

পুলিশের সমালোচনা করে মির্জা ফখরুল বলেন, তারা দুর্নীতি আর রাজনীতি নিয়ে ব্যস্ত। একজন পুলিশ কমিশনারের নামোল্লেখ না করে তিনি বলেন, ওই কমিশনার শিষ্টাচার জানেন না। তিনি এ ধরণের পুলিশ কর্মকর্তাদের অপসারণ দাবি করেন। তিনি বলেন, বিচার বিভাগও ধ্বংসের পথে।

জেলা বিএনপির আহবায়ক কামরুল হুদা জায়গীরদারের সভাপতিত্বে আয়োজিত সম্মেলনে মির্জা ফখরুল আরো বলেন, দেশে মেগা উন্নয়নের নামে মেগা দুর্নীতি হচ্ছে। দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত অর্থ পাচার করা হচ্ছে কানাডার বেগম পাড়ায়। অথচ সাধারণ মানুষ অনেক কষ্টে আছে। তারা সংসার চালাতে পারছে না। জিনিসপত্রের দাম নিয়ন্ত্রণের কোন পদক্ষেপ নেই। বেড়ে চলেছে হত্যা ধর্ষণ। এ থেকে কাউন্সিলরের স্বামী এবং সাধারণ শিক্ষার্থীরাও রেহাই পাচ্ছে না।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, একটি ‘ভয়াবহ দানবীয়’ শক্তির হাত থেকে এ দেশকে মুক্ত করে কল্যাণমূলক সুখী-সমৃদ্ধ দেশ গঠন করার জন্য আমাদের লড়াই অব্যাহত থাকবে। এ লড়াইয়ে আমরা দৃঢ়তার সাথে আমরা সামনে এগিয়ে যেতে চাই। তিনি বলেন, আমাদের মূল লক্ষ্য হচ্ছে-খালেদা জিয়াকে মুক্ত করা, তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনা এবং ১৮ কোটি মানুষকে মুক্ত করা। এজন্য প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদী চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে সকলকে আন্দোলন-সংগ্রামে সম্পৃক্ত হতে হবে।

দলের সিলেট বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাক কলিম উদ্দিন আহমদ পরিচালনায় সম্মেলনে দলের ভাইস চেয়ারম্যান ও সিলেট বিভাগীয় টিম লিডার ডা: এজেডএম জাহিদ, দলের চেয়ারপার্সনের উপদষ্টা ড. এনামুল হক ও খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, দলের সমাজকল্যাণ সম্পাদক কামরুজ্জামান রতন, বগুড়ার মেয়র রেজাউল করিম বাদশা, মহানগর বিএনপির আহবায়ক আব্দুল কাইয়ুম জালালী পংকি। সম্মেলনে স্বাগত বক্তব্য রাখেন-সিলেট সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী।

সম্মেলনের দ্বিতীয় অধিবেশনে অনুষ্ঠিত হবে ভোট। এতে ১৮১৮ জন কাউন্সিলর ভোটের মাধ্যমে জেলা বিএনপি’র সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচন করবেন।

Share





Related News

Comments are Closed