Main Menu

দূষণে মরছে বাসিয়া নদী, তীরের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে গড়িমসি

Manual5 Ad Code

বিশ্বনাথ প্রতিনিধি : সিলেটের বিশ্বনাথে দখল আর দূষণে মরছে এক সময়ের খড়স্রোতা ‘বাসিয়া নদী’।

বোরো আবাদে সেচের পানির জন্য কাঁদছেন নদীপারের কৃষকরা। ভরা মৌসুমেও নদীপারে নেই সবজি চাষ।

উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন স্থানে নদীর দুই তীরে দখলবাজরা গড়ে তুলেছেন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আর অবৈধভাবে বিশাল অট্টালিকা। পাশাপাশি ময়লা-আবর্জনা ভাসছে নদীতে।

বোরো চাষাবাদের জন্য নদীর বুকে নেই একটু পানি। বর্তমান সময়ে নদীটি শুকিয়ে একটি মরা নালায় পরিণত হয়েছে।

প্রায় আড়াই বছর আগে ১৫০টি অবৈধ স্থাপনা ভাঙনের তালিকা করা হলেও তার কোনো অগ্রগতি নেই। শুধু পাঁচবার টেন্ডারেই পার করা হয়েছে সময়টুকু।

২০১৬ সালে ‘বাঁচাও বাসিয়া নদী ঐক্য পরিষদ’ নামের একটি সংগঠন আন্দোলনে নামে। দীর্ঘদিন ধরে রহস্যজনকভাবে সেই আন্দোলনও আর দেখা যাচ্ছে না।

তাদের ধারাবাহিক আন্দোলনের মুখে ১৮৭ জন দখলদারকে চিহ্নিত করে দখল ছেড়ে দিতে ১৫ দিনের চূড়ান্ত নোটিশ দেন জেলা প্রশাসক।

সিলেট জেলা প্রশাসনের দেওয়া নোটিশ অনুযায়ী অবৈধ দখলদারদের মধ্যে রয়েছেন আওয়ামী লীগ ও বিএনপির বেশ কয়েকজন নেতা।

Manual1 Ad Code

ইতোমধ্যে নদীতীরের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের জন্য ৩০ লাখ টাকা বরাদ্দও হয়েছে। কিন্তু আড়াই বছরেও সেই উচ্ছেদ অভিযানে নেই কোনো অগ্রগতি।

ওই উচ্ছেদ কার্যক্রম ঠেকাতে কোটি টাকার মিশন নিয়ে প্রভাবশালী একটি মহল তৎপর হয়ে উঠেছে। আওয়ামী লীগ, বিএনপি সবাই এখন একজোট। যে কোনো মূল্যে তারা বাসিয়া নদীর অবৈধ দখল বহাল রাখতে চান।

Manual8 Ad Code

কিন্তু ঠিকাদার পাওয়া যাচ্ছে না। পাঁচবার টেন্ডার আহ্বান করে আড়াই বছর পার করেছে সিলেটের পানি উন্নয়ন বোর্ড।

এ ব্যাপারে সিলেটের পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আসিফ আহমদ জানান, জেলা প্রশাসকের কাছ থেকে তারা একটি উচ্ছেদের তালিকা পেয়েছেন।

Manual6 Ad Code

ওই উচ্ছেদের জন্য ৩০ লাখ টাকা বরাদ্দও করা হয়েছে। উচ্ছেদের এই তালিকাটি তাদের হাতে পাওয়ার পর ২০১৯ সালের ১৪ মে থেকে ২০২১ সালের ৩০ আগস্ট পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে তারা পাঁচবার টেন্ডার আহবান করেছেন।

কিন্তু কোনো ঠিকাদার সেই টেন্ডারে সাড়া দেয়নি। বর্তমানে ষষ্ঠবার টেন্ডারের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে তিনি জানান।

Manual3 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual8 Ad Code