Main Menu
শিরোনাম
হবিগঞ্জ সদরে ৪ ইউপিতে আ.লীগ, বাকি চারে অন্যরা         শান্তিগঞ্জে ২টিতে নৌকা, বাকি ৬টিতে অন্যরা জয়ী         সুনামগঞ্জে সবক’টি ইউনিয়নে নৌকার ভরাডুবি         সিলেটে ৯ ইউপিতে নৌকার জয়, বিদ্রোহীসহ অন্যরা ৭         সিকৃবিতে প্যারাসাইট রিসোর্স ব্যাংক উদ্বোধন         ছাতকে ক্রাশিং চুনাপাথর বিক্রি বন্ধে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ         কমলগঞ্জে বসতঘর থেকে তরুনীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার         মাধবপুরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহির মৃত্যু         বিশ্বনাথে আমন ধানের বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে হাসি         সিলেটের ১৬ ইউনিয়নে ভোট গ্রহণ চলছে         জৈন্তাপুরে ফ্রি সুন্নতে খতনা ক্যাম্প অনুষ্টিত         সুখী ও সমৃদ্ধ সমাজ গঠনে কাজ করছে ক্যাপ ফাউন্ডেশন        

পৃথিবীর চারপাশে কী আছে, গভীর রহস্যের উন্মোচন

প্রযুক্তি ডেস্ক: পৃথিবীর অস্তিত্বসহ বাইরের জগৎ নিয়ে মানুষের আগ্রহের শেষ নেই। জ্যোতির্বিজ্ঞানীরাও প্রতিনিয়ত নানা রহস্যের উন্মোচন করতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। কী আছে পৃথিবীর চারপাশে? এ প্রশ্ন ভাবিয়ে তোলে অনেককে? এবার এই গভীর রহস্যের উন্মোচন হলো শেষ পর্যন্ত।

জানা গেল, পৃথিবীর চারপাশ ঘেরা রয়েছে একটি দৈত্যাকার চৌম্বক সুড়ঙ্গে। সেই সুড়ঙ্গ গোটা সৌরমণ্ডল থেকে পৃথিবীকে যেন কিছুটা আড়াল করে রেখেছে। চারপাশ থেকে এই নীলাভ গ্রহটিকে মুড়ে রাখা চৌম্বক সুড়ঙ্গটি পৃথিবীকে সৌরমণ্ডলসহ বাকি ব্রহ্মাণ্ডের যাবতীয় কোলাহল থেকে যতটা সম্ভব আড়াল করে রাখে।

আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান গবেষণা পত্রিকা ‘দ্য অ্যাস্ট্রোফিজিক্যাল জার্নাল’-এ গবেষণাপত্রটি প্রকাশ করা হবে। তার আগে অনলাইনে এটি প্রকাশ করা হয়েছে।

আকাশের দুই বিপরীত প্রান্তে রাতে গভীর রহস্যে মোড়া দু’টি বিস্ময়কর কাঠামো দেখা যায়। একটি রয়েছে ‘নর্দার্ন পোলার স্পার’ এলাকায়। অন্যটি আকাশের একেবারে বিপরীত প্রান্তে। যার নাম ‘ফ্যান রিজিওন’।

নর্দার্ন পোলার স্পার-এর যে এলাকার আকাশে দেখা যায় রহস্যে মোড়া কাঠামোটি সেটি স্যাজিটারিয়াস নক্ষত্রপুঞ্জ থেকে শুরু করে স্করপিয়াস, লুপাস, এমনকি সেন্টাওরাস নক্ষত্রপুঞ্জ ছাড়িয়ে গেছে।

আর ফ্যান রিজিওনটি দেখা যায় আকাশের ছায়াপথের একটু উপরে। ছায়াপথের ১৩০ ডিগ্রি দ্রাঘিমাংশে। দু’টি এলাকাই খালি চোখে ধরা পড়ে না। কারণ সেখান থেকে বেরিয়ে আসে অত্যন্ত উষ্ণ এক্স রশ্মি আর রেডিও তরঙ্গ। তাই তাদের দেখা যায় রেডিও টেলিস্কোপে।

গত শতাব্দীর ষাটের দশক থেকেই এদের নিয়ে কৌতূহলের শেষ নেই জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের। অনেকেরই ধারণা ছিল খুব জমাট বাঁধা উষ্ণ গ্যাসই ওই দু’টি কাঠামো তৈরি করেছে। সেই কাঠামোগুলো কত দূর পর্যন্ত বিস্তৃত, সে সম্পর্কেও সঠিক কোনো ধারণা ছিল না টেলিস্কোপ থেকে পাওয়া পর্যাপ্ত তথ্যের অভাবে।

সাম্প্রতিক গবেষণা জানাল, জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের এতদিনের ধারণা সঠিক ছিল না। বাস্তবে ওই দু’টি কাঠামোই পৃথিবীকে চারপাশ থেকে মুড়ে রাখা সুবিশাল একটি চৌম্বক সুড়ঙ্গের অংশ। এমন আরও বিশাল চৌম্বক সুড়ঙ্গ আমাদের সৌরমণ্ডলকেও চারপাশ থেকে ঘিরে রেখেছে। ঘিরে রেখেছে অন্য তারা মণ্ডলগুলোকেও।

ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি (এসা)-র গাইয়া স্পেস অবজারভেটরির দেওয়া তথ্য খতিয়ে দেখে গবেষকরা জানতে পেরেছেন, এই কাঠামোগুলো দৈর্ঘ্যে এক হাজার আলোকবর্ষ দূরত্ব পর্যন্ত বিস্তৃত।

গবেষকদের বক্তব্য, এই সুবিশাল চৌম্বক সুড়ঙ্গের সঙ্গে পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্র, সৌরমণ্ডলের চৌম্বক ক্ষেত্র এবং আমাদের ছায়াপথের চৌম্বক ক্ষেত্র কীভাবে নিয়মিত সম্পর্ক রেখে চলে, আর তা কীভাবে নিয়ন্ত্রণ করে পৃথিবীসহ সৌরমণ্ডল এবং আমাদের ছায়াপথের অন্য তারাগুলোর গতিবিধি এবার তা জানার চেষ্টা শুরু হবে।

সূত্র: আনন্দবাজার

0Shares





Related News

Comments are Closed