Main Menu

যেসব অ্যাপ থাকলে হ্যাকড হতে পারে ফোন ও ব্যাংক অ্যাকাউন্ট

Manual6 Ad Code

তথ্যপ্রযুক্তি ডেস্ক: স্মার্টফোন এখন দৈনন্দিন জীবনের অপরিহার্য অংশ। ব্যক্তিগত যোগাযোগ থেকে শুরু করে অফিসের কাজ, অনলাইন কেনাকাটা এবং মোবাইল ব্যাংকিং সবকিছুই এখন স্মার্টফোননির্ভর। তবে অসাবধানতাবশত ক্ষতিকর অ্যাপ ইনস্টল করলে ফোনের পাশাপাশি ব্যাংক অ্যাকাউন্টও হ্যাক হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।

প্রযুক্তিবিষয়ক সংবাদমাধ্যম আইবি টাইমস-এর এক প্রতিবেদনে এমন কয়েকটি অ্যাপের ধরন সম্পর্কে সতর্ক করা হয়েছে, যেগুলো ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করে হ্যাকারদের কাছে পৌঁছে দিতে পারে। এমনকি এসব অ্যাপের মাধ্যমে ফোনের নিয়ন্ত্রণও প্রতারকদের হাতে চলে যেতে পারে।

যেসব অ্যাপ থেকে সতর্ক থাকতে হবে;

ক্রিপ্টোকারেন্সি অ্যাপ (ভুয়া সংস্করণ): কিছু ভুয়া ক্রিপ্টোকারেন্সি অ্যাপ দেখতে আসল অ্যাপের মতো হলেও এগুলোতে ম্যালওয়্যার থাকে। এসব অ্যাপ ব্যবহারকারীর তথ্য সংগ্রহ করে সাইবার অপরাধীদের কাছে পাঠাতে পারে।

Manual4 Ad Code

টিকটকের নকল অ্যাপ: আসল টিকটকের মতো দেখতে কিছু ক্লোন অ্যাপ ব্যবহারকারীদের বিভ্রান্ত করে। এসব অ্যাপ ইনস্টল করলে ব্যাংকিং তথ্য, পাসওয়ার্ড ও অনলাইন লেনদেনের তথ্য চুরির ঝুঁকি থাকে।

আর্ট ফিল্টার ও হোয়াটসঅ্যাপ স্টিকার মেকার: কিছু অনির্ভরযোগ্য আর্ট ফিল্টার ও স্টিকার তৈরির অ্যাপ ফোনের গ্যালারি, কনট্যাক্ট, লোকেশনসহ বিভিন্ন ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করতে পারে। এসব অ্যাপে ম্যালওয়্যারও পাওয়া গেছে বলে সতর্ক করেছেন সাইবার বিশেষজ্ঞরা।

Manual7 Ad Code

জিপিএস লোকেশন ফাইন্ডার ও স্মার্ট কিউআর ক্রিয়েটর: কাজের সুবিধার কথা বলে এসব অ্যাপ ব্যবহারকারীদের আকৃষ্ট করলেও অনেক ক্ষেত্রে এগুলোর মাধ্যমে ফোনে ম্যালওয়্যার প্রবেশ করে। পাশাপাশি ব্যবহারকারীর অবস্থান ও অন্যান্য তথ্য নজরদারির ঝুঁকিও তৈরি হয়।

Manual4 Ad Code

নতুন অ্যাপ ইনস্টলের আগে যা করবেন;

*শুধু বিশ্বস্ত উৎস থেকে অ্যাপ ডাউনলোড করুন।

*ডেভেলপারের নাম ও প্রকাশের তথ্য যাচাই করুন।

*ব্যবহারকারীদের রিভিউ ও ডাউনলোডের সংখ্যা দেখে নিন।

*একই নামে একাধিক অ্যাপ থাকলে সতর্ক থাকুন।

*অপ্রয়োজনীয়ভাবে ক্যামেরা, মাইক্রোফোন, লোকেশন, কনট্যাক্ট বা স্টোরেজের অনুমতি চাইলে সেই অ্যাপ ইনস্টল না করাই ভালো।

Manual5 Ad Code

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, স্মার্টফোনে অপ্রয়োজনীয় বা সন্দেহজনক অ্যাপ থাকলে দ্রুত আনইনস্টল করা উচিত। পাশাপাশি নিয়মিত সফটওয়্যার আপডেট, শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার এবং টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন চালু রাখলে সাইবার হামলার ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব।

 

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual6 Ad Code