Main Menu
শিরোনাম
হবিগঞ্জ সদরে ৪ ইউপিতে আ.লীগ, বাকি চারে অন্যরা         শান্তিগঞ্জে ২টিতে নৌকা, বাকি ৬টিতে অন্যরা জয়ী         সুনামগঞ্জে সবক’টি ইউনিয়নে নৌকার ভরাডুবি         সিলেটে ৯ ইউপিতে নৌকার জয়, বিদ্রোহীসহ অন্যরা ৭         সিকৃবিতে প্যারাসাইট রিসোর্স ব্যাংক উদ্বোধন         ছাতকে ক্রাশিং চুনাপাথর বিক্রি বন্ধে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ         কমলগঞ্জে বসতঘর থেকে তরুনীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার         মাধবপুরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহির মৃত্যু         বিশ্বনাথে আমন ধানের বাম্পার ফলন, কৃষকের মুখে হাসি         সিলেটের ১৬ ইউনিয়নে ভোট গ্রহণ চলছে         জৈন্তাপুরে ফ্রি সুন্নতে খতনা ক্যাম্প অনুষ্টিত         সুখী ও সমৃদ্ধ সমাজ গঠনে কাজ করছে ক্যাপ ফাউন্ডেশন        

দক্ষিণ রণিখাই ইউপির আ’লীগ প্রার্থী সাবেক শিবির নেতা, মনোনয়ন পুনবিবেচনার দাবি

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ রণিখাই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী ইকবাল হোসেন ইমাদের দলীয় মনোনয়ন পুনবিবেচনার দাবি জানিয়েছেন একই দলের মনোনয়ন প্রত্যাশী সাইফুল ইসলাম। তিনি ইমাদকে ছাত্রশিবিরের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সাবেক নেতা দাবি করে স্বাধীনতাবিরোধী অনুপ্রবেশকারীর হাত থেকে দলকে রক্ষার অনুরোধ করেন।

বৃহস্পতিবার (১৪ অক্টোবর) বিকেল ৩টায় সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সাইফুল এ দাবি করেন আওয়ামী লীগ নেতা সাইফুল।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, ইমাদ সময়ের ব্যবধানে নিজের স্বার্থের প্রয়োজনে খোলস পাল্টে মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছেন। ২০১৮ সালের শেষ দিকে তিনি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হাসিমকে ম্যানেজ করে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগে যোগদান করেন। ২০১৯ সালে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সদস্য হন। এসময় তৃণমূল আওয়ামী লীগের সকল স্তরের নেতাকর্মী প্রতিবাদ করলেও ইউনিয়ন সভাপতি আব্দুল হাসিম আমলে নেননি এবং এড়িয়ে যান। সর্বশেষ হাসিমকে ম্যানেজ করে দক্ষিণ রণিখাই ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থীতা ও শেষ পর্যন্ত নৌকার মনোনয়ন পেয়ে যান। এমনকি তিনি যুক্তরাজ্য ও দেশে থাকাবস্থায় তার ফেসবুক আইডি Ikbal H. Imad ২০২১ সালের ২ অক্টোবর পর্যন্ত অ্যাক্টিভ রাখেন। ওই আইডিতে সরকার বিরোধী পোস্ট রয়েছে। যা বন্ধ করে বর্তমানে Ikbal H. Imad নামে তার আরেকটি ফেসবুক আইডি চালু করেন।

তৃণমূল আওয়ামী লীগের পক্ষে বৃহস্পতিবার সংবাদ সম্মেলনকারী সাইফুল ইসলামের বিরুদ্ধেও অনুপ্রবেশের অভিযোগ রয়েছে। তিনি দুই বছর আগে বিএনপি থেকে আওয়ামী লীগে যোগদান করেন বলে এলাকায় গুঞ্জন রয়েছে।

এ প্রসঙ্গে তিনি জানান, বিএনপিতে তিনি ছিলেন এমন কোনো প্রমাণ নেই। প্রতিপক্ষই মিথ্যাচার করছে। বক্তব্যে তিনি আরও জানান, ইকবাল হোসেন ইমাদ দক্ষিণ রণিখাই ইউনিয়নের খাগাইল গ্রামের মো. আব্দুস সালামের ছেলে। ২০০৩ সালে দলইরগাও স্কুল থেকে এসএসসি পাশ করে এম সাইফুর রহমান কলেজে ভর্তি হয়ে ২০০৪ সাল থেকে ইসলামি ছাত্রশিবিরের রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। পরবর্তীতে ২০০৬ সালের (আংশিক) তিনি কোম্পানীগঞ্জ থানা শিবিরের সেক্রেটারির দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৬ সালে সেক্রেটারি থাকাকালীন থানা শিবিরের সভাপতি ছিলেন মুহাম্মদ আব্দুশ শাকুর ও ২০০৭ সালে ছিলেন শফিকুল ইসলাম। যা শিবিরের সাংগঠনিক ২০০৯ ও ২০১০ সালের ডায়েরিতে লিপিবদ্ধ রয়েছে। ইকবাল হোসেন ইমাদ ২০১০ সালের মার্চে যুক্তরাজ্য যাওয়ার আগ পর্যন্ত জামায়াত-শিবিরের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। ২০১৬ সালের শেষের দিকে ইমাদ দেশে ফিরে জামায়াত-শিবিরের বিভিন্ন প্রোগ্রামে অংশগ্রহণ করেন ও স্বাধীনতাবিরোধী এ ব্যক্তি দলের অর্থতহবিলে অনেক টাকা-পয়সা দান করেছেন।

বক্তব্যে বলা হয়, নৌকার প্রার্থী চূড়ান্ত হওয়ার পর তৃণমূল আওয়ামী লীগে সমালোচনার ঝড় ওঠে। তখন তড়িগড়ি করে সংবাদ সম্মেলন করে ইকবাল হোসেন ইমাদ বেশ কিছু মিথ্যা তথ্য সাংবাদিকদের সামনে উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, যে শিবির নেতা ইকবাল হোসেনের কথা বলা হচ্ছে সেই ব্যক্তি তিনি নন। কিন্তু কথাটি চরম মিথ্যাচার। তিনি যে ব্যক্তির কথা বলছেন তার নামও ইকবাল হোসেন। ওই ইকবাল দক্ষিণ রণিখাই ইউনিয়নের পশ্চিম বর্ণী গ্রামের মাওলানা মুহাম্মদ আব্দুন নুরের ছেলে। কিন্তু চেয়ারম্যান প্রার্থী ইকবাল হোসেন ইমাদ দক্ষিণ রণিখাই ইউনিয়নের খাগাইল গ্রামের মো. আব্দুস সালামের ছেলে। সংবাদ সম্মেলনে ইমাদ সাবেক শিবির নেতা প্রমানে তথ্য প্রমান উপস্থান ছাড়াও উপস্থিত করা হয় বর্ণী গ্রামের আরেক ইকবাল হোসেনের পিতা মাওলানা আব্দুন নুরকে।

সংবাদ সম্মেলনে সাইফুল ইসলামের পক্ষে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নুরুল মোস্তাকিন। উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় আওয়ামী লীগর সামসুল ইসলাম, আকিল উদ্দিন, বাবুল দাস, আপ্তাব উদ্দিন প্রমুখ।

 

0Shares





Related News

Comments are Closed