Main Menu
শিরোনাম
ছাতকে ১০ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল         ছাতকে প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগে বৃদ্ধ গ্রেপ্তার         বিশ্বনাথে দুই হত্যা মামলার প্রধান আসামী সাইফুল গ্রেপ্তার         কোম্পানীগঞ্জে বজ্রপাতে দুইজনের মৃত্যু         গোলাপগঞ্জে গৃহবধূকে ধর্ষণ, যুবক গ্রেপ্তার         শান্তিগঞ্জে পানিতে ডুবে দুই চাচাতো বোনের মৃত্যু         কামাল উদ্দিন রাসেল’র উপর মামলা প্রত্যাহারের দাবি         বিশ্বনাথে ‘ব্লাকমেইল’ করে গৃহবধুকে ধর্ষণ, ধর্ষক আটক         দক্ষিণ সুরমা কলেজে শিক্ষার্থীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা         গোলাপগঞ্জে ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা সেবা অনুষ্ঠিত         জৈন্তাপুরে রেস্টুরেন্ট কর্মচারীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার         লাখাই থেকে ২৭২৫ পিস ইয়াবাসহ দু’জন আটক        

ধর্ষণ ও হত্যার দায়ে ২ আসামির ফাঁসি কার্যকর

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় দুই নারীকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মামলায় দুই আসামির ফাঁসি কার্যকর হয়েছে।

সোমবার (৪ অক্টোবর) রাত পৌনে ১১টার দিকে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে আসামি কালু ও আজিজের ফাঁসি কার্যকর করা হয়।

যশোরের সিভিল সার্জন শেখ আবু শাহীন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এরআগে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে গিয়ে গত শনিবার তাদের সঙ্গে শেষবারের মতো দেখা করেন তাদের স্বজনরা।

এর আগে চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় দুই নারীকে ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ড পান চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার খাসকররা ইউনিয়নের রায় লক্ষ্মীপুর গ্রামের কালু নামে পরিচিত মিন্টু ও একই গ্রামের আজিজুল নামে পরিচিত আজিজ।

জানা গেছে, আলমডাঙ্গা উপজেলার জোড়গাছা গ্রামের দুই বান্ধবীকে ২০০৩ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর রায়লক্ষ্মীপুর গ্রামের মাঠে হত্যা করা হয়। হত্যার আগে তাদের দুজনকে ধর্ষণ করা হয় বলে পুলিশের তদন্তে বেরিয়ে আসে।

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধের পর মৃত্যু নিশ্চিত করতে গলাকাটা হয় ওই দুই নারীর। এ ঘটনায় নিহত একজনের মেয়ে পরদিন আলমডাঙ্গা থানায় হত্যা মামলা করেন, আসামি করা হয় চারজনকে। বিচারকাজ চলাকালীন আসামি মহি অসুস্থ হয়ে মারা যান।

চুয়াডাঙ্গার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০০৭ সালের ২৬ জুলাই আসামি সুজন, আজিজ ও মিন্টুকে মৃত্যুদণ্ড দেয়। আসামিপক্ষের লোকজন হাইকোর্টে আপিল করেন। পরে ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিল শুনানি শেষে হাইকোর্ট ওই রায় বহাল রাখেন।

আসামিপক্ষ মামলাটি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টেও যান। চলতি বছরের ২৬ জুলাই সেখানে আসামি সুজনকে বেকসুর খালাস দেয়া হলেও অন্য দুজনের রায় বহাল রাখার আদেশ হয়। যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে গত ২০ জুলাই মুক্তি পান সুজন। অন্য দুজন রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাইলে তা নাকচ হয়।

পরে কারা অধিদপ্তরকে ফাঁসি কার্যকর করতে গত ৬ সেপ্টেম্বর চিঠি দেয় সুরক্ষা সেবা বিভাগ। যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার ৮ সেপ্টেম্বর সেই চিঠি গ্রহণ করে। এর মাধ্যমে ঘটনার প্রায় ১৮ বছর পর সাজা পেলেন আসামিরা।

0Shares





Related News

Comments are Closed