Main Menu

ছাতকে নারী কাউন্সিলর কাকলীসহ ৪জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

Manual8 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: সুনামগঞ্জের ছাতক পৌর ভবনে ভাঙচুরের অভিযোগে দায়েরকৃত মামলায় সংরক্ষিত আসনের নারী কাউন্সিলর তাছলিমা জান্নাত কাকলীসহ চারজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) গ্রহণ করেছে আদালত।

মঙ্গলবার দুপুরে সুনামগঞ্জের চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক মো. আব্দুর রহিমের আদালতে এ মামলার অভিযোগপত্র (নং-২৪০/১০ তারিখ-০৬/০৯/২০২১) গ্রহণ করা হয় বলে জানিয়েছেন ছাতক থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মিজানুর রহমান।

Manual1 Ad Code

মামলায় কাউন্সিলর কাকলী ছাড়াও অন্য আসামিরা হলেন- কাউন্সিলর কাকলীর স্বামী মাছুম আহমদ (৪৫), কাকলীর ভাই নোমান ইমদাদ কানন (৩৫) ও কার্জন মিয়া (২৮)। এদের মধ্যে প্রধান আসামি কাউন্সিলর কাকলী ছাতক থানায় ২০১৯ সালে একটি মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি এবং কার্জন মিয়া ছাতক থানায় বিভিন্ন সময়ে দায়েরকৃত সাতটি মামলার এজাহারভুক্ত আসামি বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

Manual1 Ad Code

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মিজানুর রহমান জানান, ‘সোমবার (৬ সেপ্টেম্বর) আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এরপর আজ শুনানী শেষে অভিযোগপত্র গ্রহণ করেছেন আদালত।’

Manual8 Ad Code

অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, ‘অবৈধ ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সার অনুমোদন প্রদান না করার বিষয়ে ছাতক পৌরসভার সংশ্লিষ্টদের অবস্থান হার্ডলাইনে। কিন্তু ছাতক পৌরসভার ৪, ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী কাউন্সিলর তাছলিমা জান্নাত কাকলীর নেতৃত্বে তার স্বামী, ভাই এবং কার্জন মিয়া গং চাঁদা আদায়ের মাধ্যমে অবৈধভাবে ব্যাটারীচালিত অটোরিকশা চলাচল করিয়ে আসছিল। এ নিয়ে তাদের সাথে অটোরিকশা চালক ও মালিকদের বিরোধ হয়। একপর্যায়ে তারা তাদের বিরুদ্ধে পৌরসভার মেয়র বরাবরে অভিযোগ করেন।’

অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, ‘গত ১৮ আগস্ট বাগবাড়ী কবরস্থান ইজিবাইক স্ট্যান্ডের ম্যানেজার ও মালিকরা পৌরসভায় লিখিত অভিযোগ করলে ২২ আগস্ট কাউন্সিলরদের সমন্বয়ে মেয়রের কক্ষে আলোচনার আয়োজন করা হয়। আলোচনা চলাকালে নারী কাউন্সিলর কাকলীর নেতৃত্বে ২০-২৫ জন লোক দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মেয়রের কক্ষে প্রবেশ করে গালাগালি শুরু করে।’

‘একপর্যায়ে তারা পৌরভবনের বিভিন্ন কক্ষে দরজা, জানালা, টেবিলের গ্লাস ভাঙচুর করে; এতে প্রায় ৫০ হাজার টাকার ক্ষতি সাধন হয়। পাশাপাশি তারা মেয়রের বিরুদ্ধে উস্কানীমূলক স্লোগান দিয়ে ভীতিকর পরিস্থিতিরও সৃষ্টি করে। এ ঘটনায় ছাতক পৌরসভার অফিস সহায়ক দীপ্ত বনিক বাদী হয়ে থানায় মামলা (নং-২৮/ ২৭-০৮-২০২১) দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর তদন্তে প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষীদের বক্তব্য, পৌরভবনে থাকা সিসিক্যামেরার ফুটেজ, ঘটনার সময়ে স্থিরচিত্র ও আলামত পর্যালোচনায় প্রাথমিকভাবে প্রমাণিত হওয়ায় এ চারজনকে আসামি করে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে। অভিযোগপত্রে ছাতক পৌর মেয়র কালাম চৌধুরীসহ ৩১ জনকে সাক্ষী রাখা হয়েছে।’

Manual3 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code