জৈন্তাপুর রিং ব্রিজ নির্মানে অনিয়মের অভিযোগ
জৈন্তাপুর প্রতিনিধি: সিলেটের জৈন্তাপুরে রিং ব্রিজ নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। কাজ তদারকি কিংবা রিং ব্রিজে জনচলাচলের জন্য মাটি না ফেলে ব্রিজের পূর্ণ বিল উত্তোলন করে নিয়েছে টিকাদার। অভিযোগের তীর এলজিইডি’র কর্মকর্তা ও ইঞ্জিনিয়ারের বিরুদ্ধে।
সরেজমিনে জৈন্তাপুর উপজেলার চারিকাটা ইউনিয়নের লালা-গৌরী রাস্তার বড়বাড়ী ভাঙ্গায় রিং ব্রিজ ঘুরে দেখা যায়, এলজিইডি’র ২০২০-২১ এর ব্রিজ কালভার্ট নির্মানের আওতায় ২ লক্ষ টাকায় রিং ব্রিজ নির্মানের জন্য টেন্ডার পান সনঞ্জিত এন্টারপ্রাইজ। যথা সময়ে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান নানা অনিয়ম ও দূর্নিতীর মাধ্যমে নিন্মমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করে কাজ করে।
ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটি দায়সারা ভাবে ব্রিজের সিসি ঢালাই, রিং স্থাপন, গার্ড ওয়াল নির্মাণের মাধ্যমে কাজ সম্পন্ন করে। ব্রিজের ৫ হাজার টাকার মাটি ভরাটের কাজ থাকলেও মাটি ভরাট করা হয়নি। রিং ব্রিজ নির্মাণ হলেও এক মহুর্তের জন্য চলাচলের সুযোগ পায়নি এলাকাবাসী। মাটি ভরাট না করা এবং নিন্মমানের কাজ হওয়ায় সামান্য বৃষ্টির পানিতে ভেসে যায় সিসি ঢালাই, উভয় পাশের রিং ধরে রাখার গার্ড ওয়াল।
এলাকার বাসিন্ধা ইজ্জত আলী, রুবেল আহমদ, নূর উদ্দিন, সমসির আহমদ, সাজু মিয়া সহ প্রায় ২০/২৫জন ব্যক্তি বলেন, রিং ব্রিজের কাজ শুরু হতেই অনিয়মের প্রশ্ন উঠে। কিন্তু উপজেলা প্রকৌশলী কোন প্রকার তদন্ত কিংবা পরিদর্শন ছাড়াই রহস্য জনক কারনে প্রতিষ্ঠানের কাজ সঠিক হয়েছে মর্মে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে পুরো বিল ছাড় দেয়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ঠিকাদার জানান, আমরা একটি কাজ পেলে উপজেলা এলজিইডি কিংবা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস যে পরিমান তদারকি করেন এবং বিল ছাড় পেতে হলে দীর্ঘ অপেক্ষা করতে হয় যা বলার শেষ নেই। উপজেলার কোন ঠিকাদার এরকম কাজ করবে না। তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখার দাবী জানান এবং প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের দাবী করেন।
ঠিকাদার সনজিত জানান, আমি কাজটি সঠিক নিয়ম মেনে করেছি। আমার কাজ সঠিক হওয়ায় এলজিইডি বিল পরিশোধ করে। দূর্ভাগ্যজনক কারনে কাজটি ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ায় আমি পুনরায় কাজটি সঠিক ভাবে করে দিচ্ছি।
এবিষয়ে চারিকাটা ইউপি চেয়ারম্যান শাহ আলম চৌধুরী তোফায়েল বলেন, এলাকাবাসীর নিকট হতে বিষয়টি জানার পর সরেজমিনে কাজ দেখে এলজিইডি অফিসে জানাই এবং কাজটি সঠিক ভাবে ও টেকসই ভাবে করে দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।
উপজেলা এলজিইডি ইঞ্জিনিয়ার এজেডএম তানভীর বলেন, বিল ছাড়ে কোন অনিয়ম হয়নি, কাজটি সঠিক দেখে কাজের বিল ছাড় করা হয়েছে। বর্তমান পরিস্থিতি দেখে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে মেরামত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার নসরাত আজমেরী হক বলেন, বিষয়টি জানলাম তদন্ত পূর্বক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এলজিইডিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
Related News
সিলেটের বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী মনির উদ্দিন আহমদের জানাযা শুক্রবার
Manual4 Ad Code বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: পূবালী ব্যাংক লিমিটেড এর সাবেক পরিচালক, সিলেটের দক্ষিণ সুরমাRead More
ভারতে চার বছর সাজাভোগ শেষে দেশে ফিরলেন যুবক
Manual5 Ad Code বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: নিখোঁজ হওয়ার প্রায় চার বছর পর ভারতে সাজাভোগ শেষেRead More



Comments are Closed