Main Menu

সোলার বাতির আলোয় আলোকিত যে সড়কটি

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: মৌলভীবাজার-চান্দগ্রাম আঞ্চলিক মহাসড়কের জুড়ী ও বড়লেখা উপজেলার অংশটিতে সোলার বাতি লাগানো হচ্ছে। পাহাড়, হাওর ও টিলাবেষ্টিত এ দুটি উপজেলার আঁকাবাঁকা সড়কে রাতের আঁধারে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। মাঝেমাঝে ছিনতাইও হয়। তবে এ অবস্থা দ্রুত বদলে যাচ্ছে। সোলার বাতির আলোয় উজ্জ্বল হয়ে উঠছে সড়কটি।

শুধু মৌলভীবাজারের এই সড়কই নয়, সারা দেশের সড়কপথেই সোলার বাতি স্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী।

মৌলভীবাজারের সীমান্তবর্তী উপজেলা জুড়ী ও বড়লেখা। পাহাড়, হাওর ও টিলাবেষ্টিত এ উপজেলার অভ্যন্তরীণ মহাসড়ক আঁকাবাঁকা হওয়াতে যানবাহন চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। এতে সড়কের এক দিক থেকে অপরদিকের যানবাহন চোখে পড়ে না। ফলে রাতের বেলা প্রায়ই সড়ক দুর্ঘটনার পাশাপাশি ছিনতাইয়ের ঘটনাও ঘটে।

সম্প্রতি পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্টের অর্থায়নে পল্লী দারিদ্র্যবিমোচন ফাউন্ডেশন প্রকল্পের সহায়তায়-জুড়ীর ভুয়াই বাজার থেকে বড়লেখা উপজেলার চান্দগ্রাম পর্যন্ত সোলার বাতি স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে। আঞ্চলিক সড়কের দীর্ঘ ২৮ কিলোমিটারের ৩৭৩টি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে ৩০ ওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বাতি লাগানো হচ্ছে। এতে পাহাড়ি এ আঁকাবাঁকা আঞ্চলিক মহাসড়কটি ঝলমলে আলোতে উজ্জ্বল হয়ে উঠছে।

সড়কপথে স্থানীয় লোকজনের চলাচল সুবিধা ছাড়াও পর্যাপ্ত আলোতে গাড়ি চালিয়ে চালকরাও খুশি। স্থানীয় একজন জানান, আগে এই সড়কে রাতে বেলা কিছু দেখা যেত না। এখন সোলার বাতি দেওয়ার কারণে পুরো সড়কজুড়ে ঝলমলে আলো রয়েছে।

আর স্থানীয় জনপ্রতিনিধির আশা সড়কে পর্যাপ্ত আলোয় আলোকিত হওয়াতে সীমান্ত এ উপজেলায় চোরাচালান বন্ধ হবে।

জুড়ী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান এম এ মোঈদ ফারুক জানান, লাইটগুলো পুরোপুরি জ্বললে এখানে চুরি কমে যাবে। এখানে বিজিবি ঢহল থাকে। অনেকটাই কমেছে চোরাচালান।

আর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী জানান, ‘গ্রাম হবে শহর’ এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে মৌলভীবাজারের পর দেশের সব সড়কপথেই পরিবেশবান্ধব সোলার বাতি স্থাপন করা হবে।

পরিবেশ বন ও জলবায়ুমন্ত্রী মো. শাহাব উদ্দিন জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ এই স্লোগানে পরিবর্তনে অঙ্গীকারবদ্ধ। দেশের সব জায়গায় বিদ্যুৎ পৌঁছে দিতে কাজ চলছে।

পাঁচ কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়িত এ প্রকল্পটির কাজ প্রায় ৩০ শতাংশ শেষ হয়েছে।

Share





Related News

Comments are Closed