Main Menu

সামাজিকভাবে হেয় করতেই শেখার বেগমের মিথ্যা অপপ্রচার

Manual3 Ad Code

বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী শেখার বেগমের সম্পত্তি কেউ আত্মসাৎ করেনি, তাঁর জায়গাজমি তার নামেই আছে বলে দাবি করেছেন সিলেট নগরের আখালিয়ার হাওলাদারপাড়া কুশিয়ারা ১৭ নম্বর বাসার বাসিন্দা আব্দুর রাজ্জাক রাজন। তিনি বলেন, সামাজিকভাবে তাকে হেয় করার জন্য শেখার বেগম ও তার ছেলে আজিজুল মালিক চৌধুরী লিটন ষড়যন্ত্রমূলক, মিথ্যা, বানোয়াট অপ্রচার চালাচ্ছেন।

বুধবার (১৮ আগস্ট) বেলা ৩টায় সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে আয়োজিত পাল্টা সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করেন মদিনা মার্কেটের ব্যবসায়ী ও সিটি মডেল স্কুলের পরিচালক ও প্রধান শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক রাজন।

Manual4 Ad Code

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, হাওলাদারপাড়ার কুশিয়ারা ১৬ নম্বর বাসার বাসিন্দা ও আমেরিকা প্রবাসী তাঁর খালা শেখার বেগম এবং তাঁর ছেলে লন্ডন প্রবাসী আজিজুল মালিক চৌধুরী লিটন কিছুদিন আগে দেশে আসেন। দেশে আসার পর থেকেই তারা আত্মীয়-স্বজনসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের কাছে তাঁর ও তাঁর পরিবারের নামে অপবাদ এবং অপপ্রচার চালাচ্ছেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৪ আগস্ট সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন কাহিনী তুলে ধরে তাঁর বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন করেন। একইভাবে কয়েকটি ইউটিউব চ্যানেলে ভিডিও সাক্ষাৎকার দিয়ে এ মিথ্যা গল্পটি তাঁর পরিচিত মহলে প্রচার করছেন। এতে সামাজিকভাবে আমার নিজের ও তাঁর পরিবারের মান-সম্মান ক্ষুন্ন হয়েছে এবং চরম বিভ্রতকর পরিস্থিতিতে তাকে পড়তে হয়েছে। এছাড়াও তারা রাজনকে এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকিও দিচ্ছেন।

লিখিত বক্তব্যে আরও বলেন, শেখার বেগম সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেছেন তাঁর মায়ের সূত্রে পাওয়া ৭ শতক ও ছেলেসন্তানহীন মৃত ভাইয়ের সূত্রে পাওয়া ৬ শতক জায়গা থেকে তাঁকে প্রতারণার মাধ্যমে বঞ্চিত করা হয়েছে। এটি একটি সম্পূর্ণ মিথ্যা গল্প। প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে- আমার ওই খালা প্রবাসে থাকা অবস্থায় বাকি মামা-খালাদের মধ্যে জায়গা ভাগ-বাটোয়ারা করার প্রয়োজন পড়লে তাঁকে (শেখার বেগমকে) প্রবাস থেকে দেশে এসে সামনে উপস্থিত থেকে বাটোয়ারা দলিলপত্র করতে অনুরোধ করা হয়। কিন্তু তিনি তাঁর ব্যক্তিগত অসুবিধার কারণে ওই সময় দেশে আসতে পারেননি।

তাই আইনি জটিলতার কারণে বাধ্য হয়ে তাঁর সম্মতিতেই বাকি মামা-খালারা তাঁর (শেখার বেগমের) নাম বাদ দিয়ে উত্তরাধিকারী সনদপত্র তৈরি করেন এবং একটি বাটোয়ারানামা দলিল তৈরি করেন। দলিল নং- ৫১৩৩/২০২০। এই দলিলে তাঁর নাম ও চতু:সীমাসহ ১০ নং চিটা দাগে শেখার বেগমের প্রাপ্য জমির অংশ উল্লেখিত আছে। যা বর্তমানে শেখার বেগমের মৃত ভাইয়ের মেয়ে সুমাইয়া ইয়াসমিন সুমুর তত্ত¡াবধানে আছে। বিষয়টি সম্পূর্ণ আমার মামা-খালাদের অভ্যন্তরীণ বিষয় এবং এ বিষয়ে আমার ন্যুনতম কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।

Manual7 Ad Code

পাল্টা সংবাদ সম্মেলনে তিনি উল্লেখ করেন আমার মায়ের আপন বোন আমার খালা শেখার বেগম ও তাঁর ছেলে লিটন মূলত আমার সফলতায় প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে এতসব কান্ড করছেন। তাদের কাছে আমার বিরুদ্ধে কোনো তথ্য-প্রমাণ না থাকায় তারা আদালতে শুধু বাটোয়ারানামা দলিল বাতিলের মামলা করেছেন, যে মামলায় আমার নাম নেই এবং থাকার কথাও নয়।

Manual8 Ad Code

নিজেকে একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী ও তাঁর তত্ত¡াবধানে অনেক লোক চাকরি করেন দাবি করে রাজন বলেন আমার এই সফলতায় তারা খুশি না হয়ে হিংসায় জ্বলছেন। তাই তাঁদের উদ্দেশ্য সম্পত্তি পাওয়া নয়, আমার সামাজিক অবস্থান নষ্ট করাই তাদের মূল লক্ষ্য।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন এলাকার মুরব্বি আব্দুল করিম পাখি মিয়া, সেলিম আহমদ, শাহজাহান মিয়া, লেইছ মিয়া, আব্দুল কাদির, অশোক ঘোষ, নূর উদ্দিন, শাহজাহান শেখ, হাফেজ আহমদ, বাবুল মিয়া, যুবনেতা আশরাফুল ইসলাম চৌধুরী, আবু হুরায়রা জাবের চৌধুরী, আব্দুল মুক্তাদির তামিম, আনহার আহমদ, আবুল কালাম আজাদ, আলম আহমদ, দেলোয়ার আহমদ ও রুবেল মিয়া প্রমুখ।

Manual3 Ad Code

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual7 Ad Code