Main Menu

কন্যাশ্রী দিবসেই কন্যা বিক্রি, মা আটক

Manual4 Ad Code

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের কন্যাশ্রী দিবসেই কন্যাকে বিক্রি করে দিলেন মা। অভিযোগ পাওয়ার পর কয়েক ঘণ্টার মধ্যে সদ্যোজাতকে উদ্ধার করে পুলিশ।

Manual8 Ad Code

দেশটির সংবাদমাধ্যম জি নিউজ জানিয়েছে, এ ঘটনায় অভিযুক্ত নারীসহ দুজনকে আটক করা হয়েছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ভারতের মেদিনীপুর শহরে।

ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, অভিযুক্তের নাম বুধোনি ভুঁইয়া। বাড়ি, মেদিনীপুর শহরের আবাস এলাকায়। পেশায় তিনি টোকাই। কাগজ কুড়িয়ে বিক্রি করেই চলত তার দিনাতিপাত। পাঁচ মাস আগে স্বামীকে হারিয়েছেন। তিন ছেলের পর গত ১৩ আগস্ট শুক্রবার কন্যাসন্তানের জন্ম দেন বুধোনি। এরপর চার সন্তানসহ ওই নারীকে পরিবারের লোকজন মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেন বলে অভিযোগ উঠে।

প্রতিবেশীদের দাবি, অভাবের তাড়নায় মেদিনীপুর শহরের বড় আস্তানা এলাকায় সদ্যোজাত কন্যাসন্তানকে বিক্রি করে দিয়েছিলেন বুধোনি। তাও আবার মাত্র পাঁচ হাজার টাকায়। খবর পেয়ে বুধোনি ভুঁইয়া ও তার তিন সন্তানকে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। বড় আস্তানা এলাকা থেকে সদ্যোজাতকে উদ্ধার করা হয়।

Manual3 Ad Code

জানা গেছে, মেদিনীপুর শহরের সিপাইবাজার এলাকার বাসিন্দা সৈয়দ কুরবান নামে এক ব্যক্তি ওই সদ্যোজাতকে কিনে নেন। পরে তাকে আটক করা হয়। তদন্তে জানা গেছে, এক বন্ধুর জন্য পাঁচ হাজার টাকা দিয়ে শিশুটিকে কিনেছিল কুরবান। এ ঘটনার সঙ্গে শিশুপাচার চক্রের যোগ আছে কি না তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।

তবে জি নিউজ বলছে, সদ্যোজাত মেয়েটিকে বিক্রির বিষয়টি মানতে রাজি নন শিশু কল্যাণ দপ্তরের কর্মকর্তা অনিন্দিতা সুর। তার দাবি, এমন কোনো তথ্য আমাদের কাছে নেই। ওই নারীর তিন সন্তান আছে। সদ্যোজাতকে নিয়ে কাজে যেতে সমস্যা হবে। সে কারণেই একজনের কাছে কন্যাসন্তানটিকে রাখতে দিয়েছিলেন তিনি।

Manual8 Ad Code

অভিযুক্ত নারী অবশ্য অপরাধ স্বীকার করে নিয়েছেন বলেও জানিয়েছে সংবাদমাধ্যমটি।

কন্যাশ্রী প্রকল্প অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে থাকা পরিবারকে নগদ সহায়তার মাধ্যমে মেয়েদের জীবন ও অবস্থার উন্নয়নে পশ্চিমবঙ্গের সরকার গৃহীত একটি উদ্যোগ, যাতে অর্থনৈতিক সমস্যার কারণে কোনো পরিবার আঠারো বছর বয়সের আগে তাদের মেয়ে সন্তানের বিয়ের ব্যবস্থা না করে।

Manual5 Ad Code

সমগ্র রাজ্য জুড়ে এ প্রকল্পটি উন্নীত করার জন্য ১৪ আগস্ট কন্যাশ্রী দিবস হিসেবে উদযাপন করা হয়। ২০১৩ সাল থেকে এ দিবস পালন করা হচ্ছে। এ প্রকল্পের অন্যতম অভিপ্রায় হলো, আর্থিক ভাবে পিছিয়ে থাকা গরিব দুঃস্থ মেয়েদের উচ্চ শিক্ষার জন্য তুলে আনা। এ প্রকল্প তার নকশা ও সুশাসনের বৈশিষ্ট্যের জন্য একাধিক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ করেছে।

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual3 Ad Code