Main Menu

বৃষ্টি-বন্যায় নাকাল পশ্চিমবঙ্গ, ২৩ জনের মৃত্যু

Manual3 Ad Code

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারী বৃষ্টিপাতে সৃষ্ট বন্যায় নাকাল পশ্চিমবঙ্গ। বুধবার (৪ আগস্ট) বিকেল পর্যন্ত অতিবৃষ্টি এবং বন্যা পরিস্থিতির জেরে কমপক্ষে ২৩ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলো।

Manual7 Ad Code

এদের মধ্যে দেওয়াল ভেঙে মারা গিয়েছেন ৬ জন। পানিতে ডুবে মৃত্যু হয়েছে ৭ জনের। বজ্রপাতে মৃত্যু হয়েছে ৬ জনের। বিদ্যুতপৃষ্ট হয়ে দু’জন মারা গিয়েছেন। এ ছাড়া কালিম্পং এলাকায় ধসে চাপা পড়ে দুজনের মৃত্যু হয়েছে।

Manual6 Ad Code

অন্যদিকে কয়েকঘণ্টার ভারী বৃষ্টিতে তলিয়ে গেছে পশ্চিমবঙ্গের কলকাতা। রাস্তাঘাট ডুবে যাওয়ায় দুর্ভোগে পড়েন সাধারণ মানুষ। বুধবার জলাবদ্ধ এলাকা পরিদর্শনে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা। পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ও উত্তরের বেশ কয়েকটি জেলায় শুক্রবার পর্যন্ত বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অফিস।

Manual6 Ad Code

চলতি বর্ষা মৌসুমে এমনিতেই বৃষ্টিপাতের পরিমাণ স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি। শুধু পশ্চিমবঙ্গে নয়, বৃষ্টিপাতের কারণে অকাল বন্যা পরিস্থিতির তৈরি হয়েছে ভারতের অন্য রাজ্যগুলোতেও। পশ্চিমবঙ্গের আলিপুর আবহাওয়া দপ্তর বলছে, আগামী কয়েকদিন কখনো ভারী ও কখনো হালকা-মাঝারি বৃষ্টিপাত হতে পারে।

বুধবার দুপুর থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে কলকাতা ও এর আশপাশের এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। কোথাও কোথাও কোমর পর্যন্ত পানিও জমে যায়। এতে একদিকে যেমন যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ে, অন্যদিকে সাধারণ মানুষদেরও পড়তে হয় চরম ভোগান্তিতে।

চলতি বর্ষা মৌসুমে অতিবৃষ্টির কারণে পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণের জেলা দুই মেদিনীপুর, হাওড়া বাঁকুড়া-বীরভূমে বন্যা দেখা দেয়। বুধবার সেই দুর্গত এলাকা পরিদর্শনে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ সময় তিনি ক্ষতিগ্রস্তদের খোঁজ খবর নেন এবং তাদের সঙ্গে কথা বলেন।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বন্যার্তদের জন্য রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারের পক্ষ থেকে ত্রাণ ও পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যেই প্রায় সোয়া লাখ মানুষকে দুর্গত এলাকা থেকে নিরাপদ স্থানে সরানো হয়েছে। ৩৬১ টি ত্রাণ শিবির খোলা হয়েছে যেখানে ৪৩,১৯২ জন মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন।

Manual6 Ad Code

 

Share





Related News

Comments are Closed

Manual1 Ad Code
Manual4 Ad Code