Main Menu

ফিলিপিন্সে বিমান দূর্ঘটনায় নিহত বেড়ে ৫২

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ফিলিপিন্সে বিমানবাহিনীর একটি বিমান দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৫২ জন নিহত হয়েছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা। এ ছাড়া মঙ্গলবার (৬ জুলাই) দেশটির সেনা প্রধান সিরিলিতো সোবেজানা জানান, সোমবার (৫ জুলাই) দুর্ঘটনাস্থল থেকে ব্ল্যাকবক্স উদ্ধার করা হয়েছে।

রয়টার্সকে তিনি বলেন, ‘যারা এই দুর্ঘটনায় প্রাণে বেঁচে গেছেন আমি তাদের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা আমাকে জানিয়েছে দুর্ঘটনা ঘটার আগে বিমানটি দুই থেকে তিনবার ঝাঁকি খেয়ে নিচের দিকে জোরে নেমে যাচ্ছিল। এ সময় পাইলট অনেক চেষ্টা করেছিলেন বিমানটি উপরের দিকে তুলতে, তবে অনেক দেরি হয়ে গিয়েছিল।’

সোবেজানা আরও জানান বিমানটি বিধ্বস্ত হওয়ার আগে কেউ বিমান থেকে লাফ দেয়নি। তবে বিমানটি মাটিতে নামার আগে কিছু যাত্রী ঝাঁপিয়ে পড়ার চেষ্টা করেছিল।

বিমানের সামনের অংশটি টুকরো টুকরো করা হয়েছিল এবং এতে কয়েকজন সেনা বের হওয়ার সুযোগ পান। তবে যারা অচেতন ছিলেন তারা বেরোতে পারেনি এবং বিমানটি আগুনের শিখায় ভস্মীভূত হয়।

ফিলিপিন্সের সুলু প্রদেশের জোলো দ্বীপে অবতরণের সময় যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দিলে ৯৬ জন যাত্রী বহনকারী সি-১৩০ মডেলের লকহিড কার্গো বিমানটি বিধ্বস্ত হয়। ফিলিপিন্সের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সোমবার (৫ জুলাই) বিমান দুর্ঘটনায় তিন বেসামরিক নাগরিকসহ মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৫২ জনে পৌঁছেছে। দুর্ঘটনায় আহত ৪৯ জন সেনা সদস্যের মধ্যে দুজন স্থানীয় সামরিক হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন।

এদিকে ফিলিপিন্সের সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র এডগার্ড আরেভালো জানিয়েছেন বিমানটি খুব ভালো অবস্থায় ছিল। পরবর্তী রক্ষণাবেক্ষণের এটি প্রায় ১১ হাজার ঘণ্টা আকাশে ভ্রমণ করেছিল বলে জানিয়েছেন তিনি।

বিধ্বস্ত হওয়া বিমানটি ১৯৮৮ সালে মার্কিন বিমানবাহিনীর বহরে যুক্ত হয়। প্রতিরক্ষা সহযোগিতা চুক্তির আওতায় যুক্তরাষ্ট্র গত জানুয়ারিতে ফিলিপাইনকে যে দুটি ব্যবহৃত হারকিউলেস ফিলিপাইনকে দিয়েছিল তার মধ্যে এটি একটি।

সুলু প্রদেশে ইসলামপন্থি বিদ্রোহীদের সঙ্গে সেনাবাহিনীর দীর্ঘদিন ধরে লড়াই চললেও কর্মকর্তারা বলেছেন, বিমানটিতে হামলা হওয়ার কোনও লক্ষণ দেখা যায়নি। উদ্ধার অভিযান শেষ হয়ে গেলেই ঘটনার তদন্ত শুরু হবে।

 

Share





Related News

Comments are Closed