কমলগঞ্জে প্রতিপক্ষের হামলায় সমবায় পরিদর্শক আহত
কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি: জমি সংক্রান্ত পূর্ব বিরোধ নিয়ে প্রতিপক্ষের অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত হয়েছেন মৌলভীবাজার জেলা সমবায় কার্যালয়ের পরিদর্শক।
গত বুধবার (২ জুন) সকাল ৯টায় কমলগঞ্জের পতনঊষার ইউনিয়নের শ্রীসূর্য্য এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে শমশেরনগর পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
স্থানীয়রা জানান, জমির সীমানা কাটা নিয়ে উপজেলার পতনঊষার ইউনিয়নের মনসুরপুর গ্রামের মৃত জায়ফর আলীর ছেলে মিনার আলীর সাথে একই এলাকার জিতেন্দ্র বৈদ্য (নিখিল মাস্টার) এর মাঝে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলে আসছে। বুধবার জমির সীমানা কাটা নিয়ে উভয় পক্ষের বাক-বিতন্ডার এক পর্যায়ে জিতেন্দ্র বৈদ্য কোদালের গোড়ালি দিয়ে মাথায় আঘাত করলে রক্তাক্ত জখমপ্রাপ্ত হন মিনার আলী (৪৫)। এসময় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে ৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে শমশেরনগর ফাঁড়ির এসআই আব্দুর রহমান এবং এএসআই এনামুল হক ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পরে স্থানীয়রা মিনার আলীকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে সিলেট ওসমানী হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে জিতেন্দ্র বৈদ্য (নিখিল মাস্টার) জানান, মিনার আলী আমাদের জমিতে জোরপূর্ব্বক গর্ত করে রাখে। প্রতিবাদ করলে মিনার ও তার ভাগিনা গংরা আমাদের বসতবাড়িতে ঢুকে হামলা চালিয়ে লুটপাট করে। এ সময় আমাদের চারজন আহত হন। বেরিয়ে যাওয়ার সময় আমাদের বাড়ির কেচি গেইটে ধাক্কা লেগে মাথায় জখম হয়। এ ঘটনায় আমরা কমলগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।
এ বিষয়ে শমশেরনগর পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ওসি (নি:) মোশারফ হোসেন বলেন, ৯৯৯ নম্বরে ফোন পেয়ে আমাদের পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পাওয়া গেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
Related News
শ্রীমঙ্গলের ভুনবীর ইউনিয়নে ফলদ, ভেষজ ও বনজ বৃক্ষচারা বিতরণ
সালেহ আহমদ (স’লিপক): পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং সবুজ বিপ্লব জোরদারের লক্ষ্যে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার ২নংRead More
নিখোঁজের ৩০ ঘণ্টা পর ধলাই নদী থেকে টমটম চালকের মরদেহ উদ্ধার
কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি: মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে ব্যাটারিচালিত টমটমসহ ধলাই নদীতে পড়ে নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ৩০ ঘণ্টাRead More



Comments are Closed