ভারত থেকে ২০ লাখ ডোজ টিকা আসছে বৃহস্পতিবার
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২১ জানুয়ারি) বাংলাদেশে আসছে ভারতের উপহার স্বরূপ সেরামের ভ্যাকসিনের ২০ লাখ ডোজ। ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর সোমবার (১৮ জানুয়ারি) রাতে সংবাদ মাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। ইতোমধ্যে ভ্যাকসিন আনার অনুমতিও দিয়েছে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর।
দেশে করোনার টিকা পৌঁছাতে অপেক্ষা আর মাত্র এক দিনের। আগামি ২১ জানুয়ারি এয়ার ইন্ডিয়ার বিশেষ ফ্লাইটে আসছে ভারতের উপহার ২০ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা পেলে চলতি মাসেই টিকা প্রয়োগের প্রস্তুতি আছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক।
তিনি জানান, ভ্যাকসিন আসার পর তা রাখা হবে ইপিআই এর সংরক্ষণাগারে। মঙ্গলবার (১৯ জানুয়ারি) সকালে স্বাস্থ্য অধিদফতরে গণমাধ্যমকর্মীদের এ তথ্য দেন স্বাস্থ্যের ডিজি।
বৃহস্পতিবার করোনার টিকার প্রথম চালান আসবে বাংলাদেশে। নয়াদিল্লীর উপহার হিসেবে দেয়া বিশ লাখ ডোজ বৃহস্পতিবার ভারতের বিশেষ বিমানে নামবে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে।
অধিদফতরের মহাপরিচালক জানান, ভ্যাকসিন সংরক্ষণে ঢাকার ইপিআই সদর দফতরের স্টোরসহ তিনটি স্টোর প্রস্তুত।
মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা পেলে সেরাম ইন্সটিটিউটে তৈরী অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রেজেনেকার ভ্যাকসিন দিয়েই শুরু হতে পারে দেশে করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধ ও মহামারি নিয়ন্ত্রণে ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রম।
আগামী সপ্তাহে সেরাম থেকে কেনা তিন কোটি ভ্যাকসিনের প্রথম চালান ৫০ লাখ ডোজ ঢাকায় আসার কথা রয়েছে।
এর আগে সোমবার সকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডা. জাহিদ মালেক জানান, এ মুহূর্তে গোটা স্বাস্থ্যখাতের ব্যস্ততা ভ্যাকসিন ব্যবস্থাপনায়। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে নিজের বক্তব্যের শুরুতেই করোনাকালীন স্বাস্থ্যখাতে নানা অনিয়ম অব্যবস্থাপনা নিয়ন্ত্রণে নিজের পক্ষে সাফাই গান মন্ত্রী। জানান দুর্যোগ মোকাবিলার পাশাপাশি ঘুরে দাঁড়িয়েছে স্বাস্থ্যখাত, নেই শয্যা কিংবা আইসিইউ সংকট।
মন্ত্রী বলেন, সপ্তাখানেকের মধ্যেই দেশে আসছে ভারতের সেরাম থেকে নেওয়া অক্সফোর্ডের প্রথম ৫০ লাখের চালান। এর আগেই আসতে পারে ভারত সরকারারের উপহার হিসেবে দেওয়া কিছু ভ্যাকসিন। যদিও সেই টিকা কোন ব্র্যান্ড বা সংখ্যা কত তা নিশ্চিত করতে পারেননি তিনি।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, করোনা টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া মোকাবিলায় থাকছে বিশেষ নজরদারি। আমাদের ভারত সরকারও কিছু ভ্যাকসিন উপহারস্বরূপ দেবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, এ টিকা দেওয়ার পর কী হবে, আমরা তা জানি না। আমরা অন্যান্য দেশে দেখেছি কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। টিকার বুথগুলো হাসপাতালের কাছে থাকলে ভালো হয়।
তিনি জানান, ৪ লাখ মানুষের জন্য ফাইজারের ৮ লাখ ডোজ আসবে। এ ভ্যাকসিন সংরক্ষণে কোল্ড চেইন সীমিত আছে। মাইনাস ৭০ ডিগ্রি ভ্যাকসিন রাখার উপযোগী রেফ্রিজারেটর আনা হচ্ছে জাতিসংঘের সহায়তায়।
নীতিমালা মেনে প্রাইভেট সেক্টরে যেকোনো প্রতিষ্ঠান চাইলেই ভ্যাকসিন আনতে পারবে। তবে দামে সরকারের নিয়ন্ত্রণ থাকবে বলেও জানান জাহিদ মালেক।
Related News
ডেঙ্গুতে আরও ৭ জনের মৃত্যু, প্রাণহানি বেড়ে ১৬৪
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সারাRead More
হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু, প্রাণহানি বেড়ে ১০৩৬
বৈশাখী নিউজ ডেস্ক: দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় (সোমবার সকাল ৮টো থেকে মঙ্গলবার সকাল ৮টা পর্যন্ত)Read More



Comments are Closed